অপরাধীদেরও বেঁচে থাকার অধিকার ছিল, তেলাঙ্গানা এনকাউন্টারে সরব জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
অপরাধীদেরও বেঁচে থাকার অধিকার ছিল, তেলাঙ্গানা এনকাউন্টারে সরব জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
তেলঙ্গানা ধর্ষণকাণ্ডের চার অভিযুক্তকে এনকাউন্টারে হত্যা করেছে পুলিশ। এ নিয়ে দেশের অধিকাংশ নাগরিক খুশি হলেও অনেকেই আবার বাঁকা চোখে বিষয়টিকে দেখছেন। এই ঘটনা নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনও (এনএইচআরসি)। শুক্রবার তারা এই এনকাউন্টার প্রসঙ্গে প্রশ্ন তুলে বলেছেন, 'যদি গ্রেফতার হওয়ার ব্যক্তিরা আসল দোষী হয়, তবে আদালতের নির্দেশে আইনিভাবে তাদের শাস্তি দেওয়া উচিত ছিল।’

এক বিবৃতিতে বিচারপতি এইচ এল দত্তুর নেতৃত্বে গঠিত এনএইচআর সি জানায়, মহিলাদের প্রতি যৌন হেনস্থা ও হিংসার ঘটনা দিন দিন বেড়ে চলার ফলে তা সাধারণের মনে ক্ষোভের সঞ্চার করছে। কিন্তু এরকম পরিস্থিতিতে যে ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে আইন মেনে, তাকে এভাবে মেরে ফেলার ঘটনা সমাজের কাছে ভুল বার্তা যাচ্ছে। এনকাউন্টারে চার অভিযুক্তের হত্যা, যারা পুলিশি হেফাজতে ছিল, তা সত্যিই উদ্বেগের বলে জানিয়েছে মানবাধিকার কমিশন। কমিশন বলেছে, 'এই ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে যে পুলিশ যথাযথভাবে সতর্ক ছিল না এবং কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা যে ঘটতে পারে তার জন্য প্রস্তুত ছিল না, যার ফলে অভিযুক্ত চারজনকে মরতে হল। তদন্ত চলাকালীন মৃতদের গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং আদালতে মামলাও চলছিল। কিন্তু আদালত রায় শোনানোর আগেই যা ঘটার ঘটে গেল।’ মহিলা পশু চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ওই চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। শুক্রবার ভোররাতে ওই চারজনকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায় পুলিশ গোটা ঘটনার পুর্ননির্মান দেখানোর জন্য। কিন্তু অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের ওপর গুলি চালায়।
এনএইচআরসি–এর পক্ষ থেকে ডিজিকে দ্রুত এই ঘটনার সত্য উন্মোচন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তের রিপোর্ট দ্টরুত পেশ করতে বলা হয়েছে মানবাধিকার কমিশনে। কমিশন জানিয়েছে, ভারতের সংবিধান অনুযায়ী সকলের বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে এবং তা সমান অধিকার। তাই পুলিশকে এই এনকাউন্টার নিয়ে প্রশ্নের জবাব দিতেই হবে।












Click it and Unblock the Notifications