নতুন বছরে রাজ্যসভায় জয়ধ্বজা ওড়াবে বিজেপি, কোন পথে হবে বাজিমাত
লোকসভায় এতছত্র ক্ষমতা প্রদশর্নের পর এবার রাজ্যসভাতেও জোর দেখানোর পালা আসছে বিজেপির সামনে।
নতুন বছর সংসদের উচ্চকক্ষে বিজেপির শক্তিবৃদ্ধি হতে চলেছে। লোকসভায় এতছত্র ক্ষমতা প্রদশর্নের পর এবার রাজ্যসভাতেও জোর দেখানোর পালা আসছে বিজেপির সামনে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ও তারপরে কয়েকটি নির্বাচনের সুবাদে বিজেপির আসন সংখ্যা রাজ্যসভায় অন্তত ৬৭টিতে পৌঁছতে চলেছে। যা ২৪৫টি আসনের রাজ্যসভায় সবচেয়ে বেশি বলে গণ্য হবে। আর সবমিলিয়ে ক্ষমতাসীন এনডিএ-র হাতে থাকবে ৯৮টি রাজ্যসভা আসন।

এই মুহূর্তে কংগ্রেস ও বিজেপির রাজ্যসভায় আসন সমান - ৫৭টি করে। তবে রাহুলের দল জুলাই মাসের মধ্যেই ৪৮টিতে নেমে যাবে। সবমিলিয়ে কংগ্রেস ও তাঁদের জোটসঙ্গীদের আসন ৭২ থেকে কমে ৬৩তে নামতে চলেছে।
সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড ও উত্তরাখণ্ডে নির্বাচনে বিজেপি ভালো ফল করেছে। সেটাই বাড়তি আসন এনে দেবে গেরুয়া শিবিরে।
বিরোধীদের মধ্যে আরজেডি ২টি আসন বাড়তি পেতে চলেছে। টিআরএস ২ থেকে ৫টি আসন পেতে চলেছে। কংগ্রেসের পরে সমাজবাদী পার্টির সবচেয়ে বেশি ৫টি আসন কমতে চলেছে। ২০১৮ সালে রাজ্যসভার আসন সংখ্যায় বিজেপি একাই ৭০ ছাড়িয়ে যেতে পারে। এদিকে আম আদমি পার্টি প্রথম পা দেবে রাজ্যসভায়।
উত্তরপ্রদেশে বিজেপি ৮টি রাজ্যসভা আসন পেতে চলেছে। এদিকে বিহারে জোট সরকার তৈরি করলেও নীতীশ কুমারের জেডিইউ ও বিজেপি আসন হারাতে চলেছে। আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ ও পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান দুজনেই বিহারের। তাঁদের মেয়াদ সামনের এপ্রিলে শেষ হতে চলেছে। তাঁদের পুনরায় নির্বাচিত করা নিয়েও বিজেপি অঙ্ক কষতে হবে। সেক্ষেত্রে জেডিইউ কতটা সাহায্য করতে পারে সেটাই এখন দেখার।












Click it and Unblock the Notifications