ভারতেও নয়া স্ট্রেনের থাবা! আগামীতে দেশের জন্য কতটা বিপদ ডেকে আনতে পারে এই অভিযোজিত করোনা?
ভারতেও নয়া স্ট্রেনের থাবা! আগামীতে দেশের জন্য কতটা বিপদ ডেকে আনতে পারে এই অভিযোজিত করোনা?
ব্রিটেনের নয়া করোনা স্ট্রেনের আগমণে তটস্থ গোটা বিশ্ব। এদিকে হাজারো চেষ্টা করেও কিছুতেই শেষ রক্ষা করতে পারেনি ভারতও। ইতিমধ্যেই ৭ ব্রিটেন ফেরত যাত্রীর হাত ধরে দেশে ঢুকে পড়েছে এই নয়া করোনা স্ট্রেন। যা নিয়ে গোটা দেশ ফের বাড়ছে আতঙ্ক। এদিকে বিশেষজ্ঞরা স্পষ্ট ভাষাতেই জানাচ্ছেন আগের পরিচিত করোনা স্ট্রেনের থেকেও প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি সংক্রমক এই নয়া করোনা।

৭০ শতাংশ বেশি সংক্রমক এই নতুন করোনা
শুধু সংক্রামকই নয় এই ভাইরাসের মারণ ক্ষমতাও আগের থেকে অনেক বেশি। ইতিমধ্যেই আরও একটি শক্তিশালী প্রজাতির করোনার দেখা মিলেছে দক্ষিণ আফ্রিকাতেও। এদিকে অন্যান্য প্রায় ৫০ টি দেশের পাশাপাশি ২৩ ডিসেম্বর মধ্যরাত থেকেই ব্রিটেনের সঙ্গে সমস্তরকম বিমান সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ভারত। এদিকে তার আগে ২৫ নভেম্বর থেকে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত করোনা কবলিত ব্রিটেন থেকে ভারতে ফেরন ৩৩ হাজার প্যাসেঞ্জার।

ব্রিটেন ফেরত ৭ যাত্রীর দেহে নয়া করোনা স্ট্রেন
এদিকে ব্রিটেনের নয়া করোনাতঙ্কের খবর মেলা মাত্রই ফের নজরদারি বাড়ানো হয় কলকাতা, দিল্লি, মুম্বই সহ দেশের সমস্ত বিমানবন্দরেই। দোর দেওয়া হয় করোনা টেস্টের উপরেও। আর তাতেই ১১৪ ব্রিটেন ফেরত যাত্রীর করোনা টেস্টের রিপোর্ট পজেটিভ আসে। তবে এতদিন বেশিরভাগ যাত্রীর শরীরেই নয়া করোনা স্ট্রেনের দেখা মেলেনি। কিন্তু পরবর্তী বিশদ গবেষণার পর দেখা যায় এদের মধ্যে ৭ জনের দেহে রয়েছে নয়া করোনা স্ট্রেন।

ব্রিটেনের ভারতের পাশাপাশি আরও একাধিক দেশে থাবা বসিয়েছে অভিযোজিত করোনা
এদিকে সম্প্রতি ব্রিটেনে করোনার যে বি.১.১.৭ স্ট্রেন পাওয়া গেছে, তার সংক্রমণের ক্ষমতা দেখে রীতিমতো আতঙ্কিত গবেষকরা। অবাক হচ্ছেন মারণ ক্ষমতা দেখেও। এমনকী ফ্রান্স, ইজরায়েল, হংকং ও আয়ারল্যান্ডের মত দেশেও পাওয়া যাচ্ছে করোনার এই অভিযোজিত রূপ। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার ৫০১.ভি২ বেশ সংক্রামক বলে জানা গেলেও ভারতে এই করোনার প্রবেশ এখনও হয়নি বলেই জনাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রচলিত করোনা পরীক্ষা নিয়েও বাড়ছে উদ্বেগ
গবেষকরা বলছেন স্পাইক প্রোটিনে বদল এনে আগের থেকেও বেশি তাড়াতাড়ি মানব কোষের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ক্ষমতা রাখে এই নয়া কোভিড ভাইরাস। এমনকী প্রচলিত আরটি-পিসিআর পরীক্ষাতেও এই নব স্ট্রেনকে শনাক্ত করতে রীতিমতো বেগ পেতে হয় বলে জানা যাচ্ছে। তবে যেকোনও ভাইরাসঘটিত মহামারী চলাকালীন এই অভিযোজন খুবই স্বাভাবিক বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই নয়া ভাইরাসকে দূরে রাখতে পুরনো করোনি বিধিই যথাযথ ভাবে মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছে ভারতীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।












Click it and Unblock the Notifications