তৃণমূলের অবস্থানকে থোরাই কেয়ার! নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির দুই সাংসদ
নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রবিবার যোগ দিয়েছিলেন দুই তৃণমূল সাংসদ শিরি অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারী। তাঁরা যথাক্রমে কাঁথি ও তমলুকের সাংসদ। এদিন যে ২০ টি রাজনৈতিক দল নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বয়কটের ডাক দিয়েছিল, তাদের মধ্যে ছিল তৃণমূল কংগ্রেসও।
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে দিয়ে না করিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে দিয়ে নতুন সাংসদ ভবনের উদ্বোধন হওয়ায় অনুষ্ঠান বয়কটের কথা আগেই জানিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু তৃণমূলের সেই বয়কট মানেননি দুই সাংসদ। শুধু তাই নয় এদিনের অনুষ্ঠানের মধ্যেই তাঁরা দুজন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেছেন।

দুই সাংসদের দলের অবস্থানকে অমান্য করা এই প্রথমবার নয়, গত বছরের জুলাইয়ে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময়ও তাঁরা দলের অবস্থানকে অমান্য করেছিলেন। ২১ জুলাই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণার পরেও এই দুই সাংসদ জগদীপ ধনখড়কে ভোট দিতে দিল্লিতে গিয়েছিলেন।
শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারী দুজনেই তৃণমূলের প্রতীকে বিধায়ক হয়েছিলেন। অন্যদিকে শিশির অধিকারী ২০০৯ থেকে কাঁথির তৃণমূল সাংসদ। পরপর তিনবার তিনি ওই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে দিব্যেন্দু অধিকারী ২০১৬-র উপনির্বাচনে জিতে পরপর দুবার তমলুক থেকে সাংসদ।
২০২০-র ১৯ ডিসেম্বর শুভেন্দু অধিকারী অমিত শাহের হাত থেকে বিজেপির পতাকা নেওয়ার পর থেকে অধিকারীর পরিবারের সঙ্গে তৃণমূলের যোগাযোগ ছিন্ন হয়ে যায়। এরপরেই শিশির অধিকারীকে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল সভাপতির পদ থেকে সরানোর পাশাপাশি দিঘা শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দেয় তৃণমূল।

বিধানসভা ভোটের পরে শিশির অধিকারীর লোকসভার সদস্যপদ খারিজের দাবি করে অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়েছিলেন লোকসভায় তৃণমূলের নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি কাঁথিতে অমিত শাহের সভায় উপস্থিত ছিলেন, এই অভিযোগেই সদস্যপদ খারিজের দাবি করে তৃণমূল।
এদিন নতুন সংসদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির থাকা প্রসঙ্গে তমলুকের তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী থাকতে চেয়েছিলেন। এর পিছনে কোনও রাজনীতি নেই বলেও দাবি করেছেন তিনি। পাশাপাশি তিনি আরও জানিয়েছেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিতি থাকতে পেরে ভাল লাগছে।












Click it and Unblock the Notifications