লাদাখ সীমান্তের কাছেই যুদ্ধবিমানের ঘাঁটি নির্মাণ শুরু করল চিন, দিল্লি বাড়াচ্ছে ফোকাস
এক মিডিয়া রিপোর্টে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী , লাদাখের সীমান্তের খুব কাছে সাকচের দিকে ক্রমেই তিল তিল করে যুদ্ধবিমান ঘাঁটি গড়ে তুলছে চিন। লাদাখ সীমান্তে গত বছর ৫ মে নাগাদ প্রথমবার চিনা আগ্রাসন দেখা যায়। তারপর প্রায় ৬ মাসের তীব্র রক্তক্ষয়ী সংঘাত খানিকটা স্তিমিত হয় শীতকালে। তবে লাদাখের প্রান্তে শীতের বরফ কেটে যেতেই , ভারত যখন করোনার দ্বিতীয় স্রোতে জর্জরিত, তখন চিনের এই গতিবিধি নিয়ে রীতিমতো সংশয় দেখা দিচ্ছে।

কী ঘটছে লাদাখের এপারে চিন সীমান্তে?
চিনের জিনজিয়াং এর সাকচে শহরের কাছে একটি নয়া যুদ্ধবিমান ঘাঁটি গড়ছে চিন। যে ঘাঁটিটি পূর্ব লাদাখ এলাকা থেকে খুবই কাছে। সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের খবর অনুযায়ী আপাতত এই এয়ারবেসকে তিলে তিলে সমস্ত প্রযুক্তি দিয়ে গড়ে তুলতে মত্ত বেজিং। যে বিষয়টি নিয়ে নজর কড়া রেখেছে দিল্লি।

চিনকে কতটা শক্তিশালী করতে পারে নয়া ঘাঁটি?
এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে জানা গিয়েছে, নয়া বিমানঘাঁটির হাত ধরে চিনের বায়ুসেনা পোক্ত হচ্ছে। এই বিমানঘাঁটি সেদেশের কাশঘর ও হোগানের বিমানঘাঁটির মধ্যে সংযোগ রক্ষা করবে। এদিকে লাদাখ পরিস্থিতির পর চিনের প্রান্তে এই পরিস্থিতি নিয়ে রীতিমতো ফোকাস বাড়াচ্ছে ভারত।

কোন কারণে নয়া বিমানঘাঁটি?
মনে করা হচ্ছে, যে জোনে চিন নয়া বিমানঘাঁটি গড়তে শুরু করেছে তা লাদাখের বহু স্ট্র্যাটেজিক পয়েন্টকে কভার করতে পারবে। এর আগে ভারতের বায়ুসেনা ঘাঁটিগুলির এই ইস্যুতে সুবিধাজনক অবস্থান ছিল। সেইদিকে তাকিয়েই চিন এমন পদক্ষেপ নিতে পারে বলে মনে করছেন বহু বিশেষজ্ঞ। প্রসঙ্গত, অল্প দূরত্বের মধ্যে ভারতের একাধিক বিমানঘাঁটি রয়েছে। যার সুবিধা ভারত বহু সময় পেয়েছে। এবার সেদিকে তাকিয়ে স্ট্র্যাটেজিতে শান দিচ্ছে চিন।

রাশিয়া থেকে এসেছে চিনের এই প্রযুক্তি-অস্ত্র!
প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই রাশিয়া থেকে ৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের প্রযুক্তি দেশে আমদানি করে চিন। এদিকে, চুপ করে বসে থাকেনি ভারতও! এদেশেও একাধিক প্রযুক্তি তৈরি হয়েছে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে। গোটা লাদাখ সীমান্ত জুড়ে যে প্রযুক্তিগুলি মোতায়েন করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications