ফৌজদারি অপরাধে গ্রেফতার হলেই পদ খোয়াতে হবে প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীদের, নতুন বিল পেশের পথে মোদী সরকার
গুরুতর ফৌজদারি অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী ৩০ দিন আটক থাকলে তাঁকে পদ থেকে অপসারণের জন্য একটি নতুন বিল আজ লোকসভায় পেশ করতে চলেছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। এই বিলের লক্ষ্য হল, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সাংবিধানিক নৈতিকতা এবং জনগণের আস্থা নিশ্চিত করা।
সরকারি আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, এই প্রস্তাবিত বিলের আওতায় প্রধানমন্ত্রী, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অথবা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মন্ত্রীদের (জম্মু ও কাশ্মীর সহ) অপসারণের জন্য একটি আইনি কাঠামো তৈরি করা হবে। যদি কোনও মন্ত্রী গুরুতর অপরাধের অভিযোগে (পাঁচ বছর বা তার বেশি কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ) টানা ৩০ দিন জেলে থাকেন, তাহলে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেবেন।

যদি প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়ে পরামর্শ না দেন, তাহলে ৩১তম দিনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপসারিত হবেন। একইভাবে, প্রধানমন্ত্রী নিজে যদি এমন অভিযোগে ৩০ দিন জেলে থাকেন, তবে তাঁকে ৩১তম দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে হবে, অন্যথায় তাঁর পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হবে।
রাজ্যের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। কোনও রাজ্যের মন্ত্রী ৩০ দিন জেলে থাকলে, রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শে তাঁকে অপসারণ করবেন। পরামর্শ না দিলে ৩১তম দিনে মন্ত্রীর পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে। মুখ্যমন্ত্রী নিজে ৩০ দিন জেলে থাকলে, তাঁকেও ৩১তম দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে হবে, নতুবা তাঁর পদ শূন্য হয়ে যাবে।
এই নতুন আইন সংবিধানের ৭৫, ১৬৪ এবং ২৩৯এএ অনুচ্ছেদগুলির পাশাপাশি জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন আইন, ২০১৯-এর ৫৪ ধারা সংশোধন করবে। প্রস্তাবিত বিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্য মন্ত্রী সহ যেকোনও মন্ত্রী যদি পাঁচ বছর বা তার বেশি কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে ৩০ দিন বা তার বেশি সময় ধরে আটক থাকেন, তবে তাঁকে পদ থেকে অপসারণ করা যাবে।
জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন আইন, ২০১৯-এর ৫৪ ধারায় একটি নতুন উপধারা – (৪এ) – যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কোনো মন্ত্রী যদি কার্যকালে টানা ৩০ দিন আটক থাকেন, তবে লেফটেন্যান্ট গভর্নর ৩১তম দিনের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শে তাঁকে অপসারণ করবেন। যদি মুখ্যমন্ত্রী এই পরামর্শ না দেন, তবে পরের দিন থেকে মন্ত্রী স্বয়ংক্রিয়ভাবে পদ হারাবেন।
কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকারগুলির জন্যও একই ধরনের পদ্ধতি প্রস্তাব করা হয়েছে, যেখানে আটক মন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীকে টানা হাজতে থাকার ৩১তম দিনে অপসারণ করা হবে। বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ বিবৃতিতে সাংবিধানিক নৈতিকতা এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের প্রতি জনগণের আস্থার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে।
বিলে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নির্বাচিত নেতারা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হলেও, বর্তমানে সংবিধানে গুরুতর ফৌজদারি অভিযোগে আটক কোনও প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রীকে অপসারণের সুস্পষ্ট বিধান নেই। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "দফতরের মন্ত্রীদের চরিত্র এবং আচরণ সব সন্দেহের ঊর্ধ্বে থাকা উচিত।"
এছাড়াও বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "যিনি গুরুতর ফৌজদারি অভিযোগের সম্মুখীন, গ্রেফতার ও আটক হয়েছেন, তিনি সাংবিধানিক নৈতিকতার মূলনীতি এবং সুশাসনের স্তম্ভগুলিকে বাধা দিতে পারেন, যা শেষ পর্যন্ত জনগণের তাঁর উপর স্থাপিত সাংবিধানিক বিশ্বাসকে খর্ব করে।"
-
নির্ভয়ে ভোট দিয়ে তৃণমূলকে বঙ্গোপসাগরে বিসর্জন দিন, ভবানীপুর থেকে বাংলার ভোটারদের বার্তা অমিত শাহের -
প্রবল ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া, আতঙ্কে পথে মানুষ -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
কালিয়াচক কাণ্ডের পর ফের অশান্তি! অমিত শাহ-র রোড শো ঘিরে ভবানীপুরে ধুন্ধুমার, হাতাহাতি তৃণমূল-বিজেপির -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
ভবানীপুরে আজ শক্তি প্রদর্শনে বিজেপি, শুভেন্দুর মনোনয়নে সঙ্গী অমিত শাহ -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
'খুব দ্রুত যুদ্ধ শেষ করব'! ইরান ইস্যুতে কড়া বার্তা মার্কিন প্রেসিডেন্টের, কী বললেন? -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
মালদহের অশান্তি নিয়ে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলল মমতা, সুতির সভা থেকে শান্তির বার্তা












Click it and Unblock the Notifications