NEET-UG: বড় আকারে প্রশ্ন ফাঁস হলে পুনরায় পরীক্ষা! NTA-কে নম্বর আপলোডের নির্দেশ প্রধান বিচারপতির
NEET-UG: বড় পরিসরে পবিত্রতা নষ্ট হলে পুনরায় পরীক্ষা। নিট-ইউজির প্রশ্ন ফাঁস মামলায় এমনটাই অবস্থান প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের। এদিন সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন ফাঁস মামলায় ৪০ টিরও বেশি আবেদনের শুনানি করে। আগামী সোমবার অর্থাৎ ২২ জুলাই এই মামলা পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং মনোজ মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চ নিট-ইউজি পরীক্ষায় অনিয়ম, পরীক্ষা বাতিলের দাবি-সহ বিভিন্ন রাজ্যের হাইকোর্টে থাকা মামলাগুলির স্থানান্তরের জন্য ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির আবেদনের বিষয়েও শুনানি করে।

প্রধান বিচারপতি বলেছেন, সেরারা বারোটি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের। এঁদের মধ্যে মধ্যপ্রদেশ, বিহার ও গুজরাত থেকে সাতজন করে, হরিয়ানার চারজন, দিল্লিতে তিনজন, কর্নাটক-উত্তর প্রদেশে ছয় জন করে, কেরল-মহারাষ্ট্র-পশ্চিমবঙ্গের পাঁচজন করে এবং তামিলনাড়ুর আটজন পরীক্ষার্থী রয়েছে।
প্রধান বিচারপতি শুনাানিতে বলেছেন, যারা নিটের প্রশ্ন ফাঁস করে অর্থ উপার্জন করেছে, তারা কোনওভাবেই তা ব্যাপক আকারে প্রচার করবে না। তিনি বলেছেন, যদি পরীক্ষার দিন সকালে অর্থাৎ ৫ মে পরীক্ষার্থীর প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ করানো হয়, তাহলে তা ফাঁস হয়েছে ৫ মের আগে। তিনি বলেছেন, সেখানে দুটি সম্ভাবনা থাকতে পারে। প্রশ্নপত্র ব্যাঙ্কগুলিকে হস্তান্তর করার আগে অর্থাৎ তিন মের আগে ফাঁস হয়ে থাকতে পারে। এছাড়া ব্যাঙ্ক থেকে প্রশ্নপত্র পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার সময়ও তা ফাঁস হয়ে থাকতে পারে।
প্রধান বিচারপতি আগামী শনিবার বিকেলের মধ্যে ছাত্রদের পরিচয় গোপন রেখে নম্বর আপলোড করতে এনটিএকে নির্দেশ দিয়েছেন।
শুনানিতে আইনজীবী হুডা বলেন, এনটিএ পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিতে বেশ কয়েকজন পরীক্ষার্থীকে গ্রেসমার্ক দিয়েছিল। সেখানে প্রশ্নপত্র দিতে দেরি হয়েছিল বলে অভিযোগ। তবে এই অভিযোগের ক্ষেত্রে এনটিএ ফের পরীক্ষা নেয়। তিনি আরও বলেন, আইআইটি মাদ্রাজের পাইথন সফটঅয়্যার ত্রুটির সংখ্যা সনাক্ত করতে পারে না। কারণ পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২৩ লক্ষ একলক্ষ আট হাজার নয়।
আইনজীবী হুড়া বলেছেন, পরীক্ষার্থী দেশের ৫৭১ টি শহরে হয়েছিল। সেখানে মাত্র ১৭ জন পরীক্ষার্থীর তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া, এইবছর টপারের সংখ্যা বৃদ্ধির সম্পূর্ণ তথ্য এনটিএ দিচ্ছে না। তারা কেবল বলছে একদিকে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি, অন্যদিকে সিলেবাস কম।
নিট-ইউজি নিয়ে প্রথম শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল পরীক্ষায় পবিত্রতা লঙ্ঘন হয়েছে। তার ঠিক দুইদিন পরে কেন্দ্রীয় সরকার সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে জাানাল তারা পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার পক্ষে নয়। এব্যাপারে সরকার আইআইটি মাদ্রাজের একটি বিশ্লেষণ তুলে ধরে। সরকারের তরফে দাবি করা হয়, নিট-ইউজি পরীক্ষায় মাস ম্যালপ্র্যাকটিসের ইঙ্গিত নেই।












Click it and Unblock the Notifications