রামকিষাণকে কেউ আত্মহত্যায় প্ররোচিত করেছে কিনা তার তদন্ত প্রয়োজন : কেন্দ্র
বিপুল সমালোচনার মাঝে কেন্দ্রের বিবৃতি, রামকিষাণকে কেউ মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে উসকানি দিয়েছে কিনা তা নিয়ে তদন্ত হওয়া উচিত। কারণ তাঁর চিঠিতে তারিখ রয়েছে ৩১ অক্টোবর এবং আত্মহত্যা করেছেন ১ নভেম্বর।
নয়াদিল্লি, ৩ নভেম্বর : দিল্লিতে আত্মহত্যা করা প্রাক্তন সেনাকর্মী রামকিষাণ গ্রেওয়ালকে নিয়ে সরকার-বিরোধী তরজা ক্রমশ বড় আকার নিচ্ছে। রামকিষাণের মৃত্যুর পরে কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টির শীর্ষ নেতাদের আটক করা নিয়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে একহাত নিয়েছিলেন বিরোধীরা। এবার ঘুরিয়ে সেই বিতর্কে ঘৃতাহুতি দিল কেন্দ্রীয় সরকার। [হরিয়ানার শেষকৃত্য রামকিষাণের, উপস্থিত থাকবেন রাহুল-কেজরি-ডেরেক ও'ব্রায়েন]
বিপুল সমালোচনার মাঝে কেন্দ্রের বিবৃতি, রামকিষাণকে কেউ মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে উসকানি দিয়েছে কিনা তা নিয়ে তদন্ত হওয়া উচিত। কারণ তাঁর চিঠিতে তারিখ রয়েছে ৩১ অক্টোবর এবং আত্মহত্যা করেছেন ১ নভেম্বর।

ফলে একাধিক প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে বলে দাবি করেছে কেন্দ্র। পাশাপাশি এই বিষয়ে গুরুতর তদন্তেরও দাবি জানানো হয়েছে। কে তাঁকে উসকে দিয়েছে, কে রামকিষাণকে বিষ এনে দিয়েছে এইসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া জরুরি বলে কেন্দ্রের তরফে এক আধিকারিক জানিয়েছেন।
প্রাক্তন সেনাকর্মীদের উন্নয়ন সেলে তাঁর পেনশন নিয়ে সমস্যার কথা রামকিষাণ জানিয়ে থাকলে তার তাড়াতাড়ি সমাধান হয়ে যেত। এমনটাই দাবি জানিয়ে কেন্দ্রের বক্তব্য, মোট ২০ লক্ষ ৬০ হাজার জনের মধ্যে ১ লক্ষ জন বাদে সকলের এক পদ এক পেনশন স্কিম অনুযায়ী প্রাপ্য মিলেছে। বাকীদেরও খুব তাড়াতাড়ি বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার কাজ চলছে।
কেন্দ্রের আরও দাবি, আত্মঘাতী রামকিষাণের এক পদ এক পেনশন নীতি মেনে বকেয়া পাওয়াতে সরকারের কোনও খামতি ছিল না। ব্যাঙ্কের তরফে হিসাবের সমস্যা থাকায় তা আটকে ছিল। আর সেটাই সহ্য করতে না পেরে আত্মহনন করলেন অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মী রামকিষাণ গ্রেওয়াল।












Click it and Unblock the Notifications