'PM CARES ফান্ড সংগ্রহের ৬০ শতাংশই খরচ হয়নি', দাবি জাতীয় সংবাদমাধ্যমে
'PM CARES ফান্ড সংগ্রহের ৬০ শতাংশই খরচ হয়নি', দাবি জাতীয় সংবাদমাধ্যমে
২০২০ সালের মার্চমাসে দেশজুড়ে কোভিড আছড়ে পড়ার পর গঠিত হয়েছিল পিএম কেয়ার্স ফান্ড৷ কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইতে দেশবাসীর কাছ থেকে অর্থসাহায্য চেয়ে তৈরি হয়েছিল এই ফান্ড। তবে জানা যাচ্ছে, ২০২১ সালের মার্চ অবধি এই ফান্ডের মোট অর্থের ৬৪ শতাংশ নাকি ব্যবহারই করা হয়নি। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২৭ মার্চ, ২০২০ থেকে ৩১ মার্চ, ২০২১ অবধি মোট ১০,৯৯০ কোটি টাকা জমেছিল পিএম কেয়ার্স ফান্ডে। এর মধ্যে মাত্র ৩৯৭৬ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে।

পিএম কেয়ার্স ফান্ড তৈরির ১২ মাস বাদে দেখা গিয়েছে, তখনও সেই অ্যাকাউন্টে ৭০১৪ কোটি টাকা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে যে কোনওরকম জরুরি অবস্থায় যাতে আর্ত মানুষদের সাহায্য করা যেতে পারে, তার জন্যই তৈরি হয়েছিল পিএম কেয়ার্স ফান্ড৷ আর সেই কাজে অতিমারির প্রথম বছরে কিনা খরচ হয়েছে মাত্র ৩৯৭৬ কোটি টাকা। হিসেব বলছে, সুদ বাবদও আয় হয়েছে এই ফান্ডের। ২৩৫ কোটি টাকা এসেছে শুধুমাত্র সুদ হিসেবে৷ সমস্ত অনুদানের মধ্যে মোট ৪৯৫ কোটি টাকা দিয়েছেন বিদেশী নাগরিকরা।
প্রশ্ন ওঠে, কীভাবে খরচ হয়েছে পিএম কেয়ার্স ফান্ডের টাকা? জানা যাচ্ছে, এর মধতে ১৩৯২ কোটি টাকা খরচ হয়েছে ৬.৬ কোটি কোভিড টিকার ডোজ কিনতে। ১৩১১ কোটি টাকা খরচ হয়েছে ৫০ হাজার ভারতে তৈরি ভেন্টিলেটর মেশন কিনতে। তবে এতেও অসন্তোষ রয়েছে চারদিকে। দেখা গেছে, পিএম কেয়ার্সের টাকায় কেনা বহু ভেন্টিলেটরই খারাপ, ত্রুটিপূর্ণ। বহুক্ষেত্রে আবার ভেন্টিলেটর মেশিন চালানোর জন্য প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীর অভাব দেখা গিয়েছে৷
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে কোভিড আছড়ে পড়ার পর থেকেই পরিযায়ী সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল দেশ। লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পর থেকে দেশের হাইওয়ে দিয়ে হেঁটেই বাইরের রাজ্য থেকে বাড়ি ফিরেছিলেন শ্রমিকরা। এই সমস্যার সমাধানে তথা পরিযায়ীদের সুরাহার জন্য ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে৷ তাছাড়া অক্সিজেন প্ল্যান্টও স্থাপন করা হয়েছে। ১৬২ টি অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপনে ২০১.৫৮ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে এই ফান্ড থেকে। কোভিড পরীক্ষার ল্যাবরেটরির উন্নয়নে খরচ করা হয়েছে ২০.৪১ কোটি টাকা। বিহারের মুজফফরপুর এবং পটনায় দু'টি কোভিড স্পেশাল হাসপাতাল তৈরিতে খরচ হয়েছে ৫০ কোটি টাকা।












Click it and Unblock the Notifications