নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভায় যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এনসিপির!
বিধানসভা নির্বাচনের পর মহারাষ্ট্রের মসনদে কে বসতে চলেছে, এটাই ছিল সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। কিন্তু শনিবার রীতিমতো সকলকে চমকে দিয়ে বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবিশ রাজ্যের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন। মুম্বইয়ে রাজভবনে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন। অন্যদিকে এনসিপির অজিত পাওয়ারও শপথ নিলেন উপ–মুখ্যমন্ত্রী পদে। একদিন আগেও যেখানে এনসিপি শিবসেনার পাশে দাঁড়িয়েছিল, কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই সেই দৃশ্য বদলে গেল। এনসিপির সমর্থনে মুম্বইয়ে সরকার গঠন করল বিজেপি। শপথ–গ্রহণ অনুষ্ঠানের পরই এক রিপোর্ট মারফত জানা গিয়েছে যে, নরেন্দ্র মোদী শাসিত কেন্দ্র সরকারের মন্ত্রী সভায় স্থান দেওয়া হবে এনসিপিকে।

সূত্রের খবর, যেহেতু বিজেপি–এনসিপি সরকার গঠন হয়েছে মহারাষ্ট্রে, শরদ পাওয়ারের দলকে নরেন্দ্র মোদী সরকার তার মন্ত্রীসভায় দু’টি আসন দেবে। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা আরপিআই প্রধান রামদাস আথওয়ালে জানান, বিজেপি–এনসিপি সরকার মহারাষ্ট্রে গঠন হওয়ার পর, এনডিএ–তে যোগ দেও্যার সম্ভাবনা রয়েছে এনসিপির এবং নরেন্দ্র মোদী সরকারের মন্ত্রীসভায় এই দল দু’টি আসন পেতে পারে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার এবং দলের নেতা সুপ্রিয়া সুলে ও প্রফুল্ল প্যাটেলকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।
রামদাস আথওয়ালে বলেন, 'যদি কেন্দ্র সরকারে যোগ দেন তবে শরদ পাওয়ারের অভিজ্ঞতাকে ভালো কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রফুল্ল প্যাটেল ও সুপ্রিয়া সুলেরও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’ মহারাষ্ট্রে বিজেপি–এনসিপি জোটকে স্বাগত জানিয়ে রামদাস আঠেওয়ালে কটাক্ষ করেন শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরেকে। তিনি জানান, উদ্ধব ঠাকরের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দূরের স্বপ্ন হয়ে গিয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, 'শিবসেনা সহজেই উপ–মুখ্যমন্ত্রীর পদ পেতে পারত এবং সরকারও গঠন হতো। কিন্তু উদ্ধব ঠাকরের লক্ষ্য ছিল মুখ্যমন্ত্রীত্ব, যা এখন দূরের স্বপ্ন।’












Click it and Unblock the Notifications