মোদীর সঙ্গে কি নিয়ে কথা বললেন শারদ পাওয়ার? সামনে আসল চাঞ্চল্যকর তথ্য
রাজনৈতিক জল্পনা বাড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করলেন এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার। প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে কথা হল প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে। ২০১৯-এর পর এই প্রথমবার মুখোমুখি হলেন তাঁরা।
রাজনৈতিক জল্পনা বাড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করলেন এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার। প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে কথা হল প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে। ২০১৯-এর পর এই প্রথমবার মুখোমুখি হলেন তাঁরা।

আর এই বৈঠক নিয়ে জল্পনা বাড়লেও, বৈঠকের পর শরদ পাওয়ার জানালেন, রাজনীতির বিষয়ে কোনও কথাই হয়নি তাঁদের মধ্যে। সূত্রের খবর, পাওয়ার আর মোদীর মধ্যে নাকি ব্যাঙ্কিং রেগুলেশন আইন নিয়ে কথা হয়েছে দু'জনের।
এই বিষয়ে শরদ পাওয়ারের বেশ কিছু আপত্তি রয়েছে, সেই বিষয়েই কথা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই দাবি নিয়ে একটি ছ'পাতার চিঠিও প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিয়েছেন শরদ পাওয়ার। বর্তমানে ব্যাঙ্কিং-এর এই পুরো বিষয়টা দেখটে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক।
১৯ জুলাই সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু হচ্ছে। আর তার আগে এই বৈঠক যথেষ্টই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। মহারাষ্ট্রে যে জোটে এনসিপি রয়েছে, সেই জোটেই রয়েছে শিবসেনা। আর শরিকদের মধ্যে মতের মিল না হওয়ায় সরগরম মহারাষ্ট্রের রাজনীতি।
রাহুল গান্ধী ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে প্রশান্ত কিশোরের বৈঠক হয় কয়েকদিন আগেই। আর তার পরই শরদ পাওয়ারের রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হওয়া নিয়ে জল্পনা ছড়ায়। যদিও এনসিপি নেতা সাফ জানিয়ে দেন, তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন না।
এ ব্যাপারে ভুল খবর বেরিয়েছে বলেও জানান তিনি ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে এই বিরোধী জোট গঠনের অন্যতম উদ্যোগী নিয়েছিলেন। প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠকও করেছেন সাম্প্রতিককালে। পরে অবশ্য তিনি জানিয়েছেন এখনও ২০২৪-এর নির্বাচন নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
তিনি আরও বলেছিলেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনশীল। মোদী ক্যাবিনেটের সাম্প্রতিক রদবদলের পরে রাজ্যসভার এই সদস্য নতুন তৈরি হওয়া মিনিস্ট্রি অফ কোঅপারেশন নিয়েও মন্তব্য করেছিলেন।
তিনি বলেছিলেন, মহারাষ্ট্র বিধানসভাতেই কোঅপারেশন নিয়ে আইন রয়েছে। তাই রাজ্যের তৈরি আইনে নাক গলানোর কোনও অধিকার কেন্দ্রের নেই।












Click it and Unblock the Notifications