Naroda Gam Case: কে খুন করল ১১ জনকে! ২১ বছরেও জানাতে পারল না সিট
নরোদা গাম মামলাতে সমস্ত অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস করল বিশেষ আদালত। ২০০২ সালের গুজরাত হিংসার সময়ে আহমেদাবাদের নারদা গাম এলাকাতে ১১ জনকে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়। কোনও এক দুষ্কৃতী ওই অভিযুক্ত খুন করে ছিল বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় রীতিমত গোটা দেশ নড়ে গিয়েছিল। যদিও ঘটনার পরেই সিট গঠন করা হয়। তবে ২১ বছর ধরে ঘটনার তদন্ত চলেছে। কিন্তু খুঁজে পাওয়া যায়নি ঠিক কারা ওই ১১ জনকে খুন করেছিল।
এই ঘটনায় মোট ৮৬ জন অভিযুক্তের নাম ছিল এই মামলাতে। গুজরাতের প্রাক্তনমন্ত্রী মায়া কোতনানি এবং বজরঙ দলের প্রাক্তন নেতা বাবু বজরঙ্গিরও নাম ছিল ওই ৮৬ জনের তালিকাতে। মামলা চলাকালীন ১৮ জনের মৃত্যু হয়। বাকি ৬৮ জনকে বেকসুর খালাস করে দেওয়া হল। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, দাঙ্গা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র সহ একাধিক ধারাতে মামলা ছিল। বলে রাখা প্রয়োজন, ২০০২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি গোধরা ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে একটি বনধ ডাকা হয়েছিল।

আর এই বনধের গোটা এলাকায় সিওমস্ত কিছু বন্ধ ছিল। শুনশান ছিল এলাকা। কিন্তু সেদিন ঘটে যায় মর্মান্তিক এই ঘটনা। নারদা গাম এলাকাতে ১১ জনকে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়। ২০০২ সালের সাম্প্রদায়িক হিংসার একাধিক ঘটনার তদন্ত করছিল সিট। তার মধ্যেই ছিল এই নারদা গামের মতো হেভিওয়েট একটি মামলাও। বিশেষ আদালতে চলছিল এই মামলার শুনানি। ২০১০ সালে এই মামলা শুনানি শুরু হয়। মোট ছয় বিচারকের বেঞ্চে মামলাটি চলছিল। গত ১৩ বছর ধরে চলছিল এই মামলার শুনানি।
গত ১৩ বছরে ১৮৭ জনের বক্তব্য শুনেছে ছয় বিচারকের বিশেষ এই বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, দীর্ঘ শুনানিতে ৫৭ জন সাক্ষীর বক্তব্যও শোনে আদালত। মামলা যখন শুরু হয় তখন বিচারক ছিলেন এস এইচ ভোরা। যদিও পরে তিনি গুজরাত হাইকোর্টে চলে যায়। এরপর বিচারক ছিলেন জ্যোৎস্না জাঙ্গিক, বিচারক কে কে ভাট এবং বিচারক পিভি দেশাই। যদিও এই মামলার শুনানি চলাকালীনই তিনজন বিচারকই অবসর নেন। এরপর ফের নতুন বেঞ্চে যায় এই মামলা। মামলার শুনানি হয় বিচারক এমকে দাভের বেঞ্চের।

বিশেষ আদালতের বিচারক এসকে বক্সি বৃহস্পতিবার দীর্ঘ শুনানি শেষে বেকসুর খালাসের কথা জানায়। বলে রাখা প্রয়োজন, গুজরাতের প্রাক্তনমন্ত্রী মায়া কোতনানির সঙ্গে এই মামলায় অভিযুক্ত থাকার বিওষয়টি সামনে এসেছিল। এমনকি নারদা পাতিয়া দাঙ্গা মামলাতেও নাম ছিল গুজরাতের প্রাক্তন এই মন্ত্রীর। যেখানে ৫৭ জনকে খুন করা হয়। যদিও এই মামলায় ট্রায়াল কোর্ট তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে। এবং ২৮ বছরের জেলের সাজা ঘোষণা করা হয়।
পরিবর্তীকালে গুজরাত হাইকোর্ট থেকে এই মামলা থেকে অব্যাহতি পান কোতনানি। আদালতে সেই তিনি দাবি করেছিলেন, নারদা গাম হত্যাকান্ডের সময়ে তিনি নাকি ঘটনাস্থলেই ছিলেন না। ছিলেন বিধানসভাতে। এমনকি পরে সিভিল হাসপাতালে গিয়েছিলেন বলেও জানিয়ে ছিলেন।
-
প্রবল ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া, আতঙ্কে পথে মানুষ -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট












Click it and Unblock the Notifications