১২ বছরের জমানার ইতি, গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিলেন নরেন্দ্র মোদী

বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন শেষে নিজের ইস্তফাপত্র রাজ্যপাল কমলা বেণীওয়ালের হাতে তুলে দেন নরেন্দ্র মোদী। এই বিশেষ অধিবেশনে বর্তমান বিধায়করা নরেন্দ্র মোদীকে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বিদায় জানান।
ইতিমধ্যেই গুজরাত পৌঁছে গিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। নয়াদিল্লিতে ব্যস্ততম সময় কাটিয়ে সংসদ ভবনের সেন্ট্রাল হলে নবনির্বাচিত বিজেপি ও জোটের সাংসদদের উদ্দেশে বক্তৃতা দেন। এদিন বক্তৃতা দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন ভাবী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মন্ত্রী। এরপর রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেন। এর আগে বিজেপির সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত হন নরেন্দ্র মোদী।
২০০১ সালের ৭ অক্টোবর নরেন্দ্র মোদী গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী হন। কেসুভাই পটলের জায়গায় তিনি মুখ্যমন্ত্রী হয়ে আসেন। এ পরে গুজরাতের সার্বিক উন্নয়নে নিজের ছাপ ছেড়ে যান মোদী। ক্রমশ গুজরাত মডেল জনপ্রিয় হয়ে উঠতে থাকে দেশে। সেখান থেকে দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের পর নরেন্দ্র দামোদর মোদী আজ ভারতের ভাবী প্রধানমন্ত্রী। আগামী ২৬ মে মোদীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান।
মোদী হাওয়ায় ভর করে এবার লোকসভা নির্বাচনে দেশজুড়ে গেরুয়া ঝড় বয়ে গিয়েছে। ২৮২টি আসনে জিতে একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেয়েছে বিজেপি। সেখানে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ পেয়েছে ৩৩৫টি আসন। বিজেপির এই অসমান্য ফলের মুখে পড়ে প্রায় গুড়িয়ে গিয়েছে কংগ্রেস। কংগ্রেস পেয়েছে মাত্র ৪৪টি আসন। ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাসে কোনও নির্বাচনে এত খারাপ ফল এর আগে করেনি কংগ্রেস।
২৬ মে নরেন্দ্র মোদী দেশের পঞ্চদশ প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথগ্রহণ করবেন। এদিন রাষ্ট্রপতি ভবনে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে।












Click it and Unblock the Notifications