পাটনা বিস্ফোরণে নিহতদের বাড়ি যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদী

এদিকে পাটনা ধারাবাহিক বিস্ফোরণের পিছনে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের টার্গেট যে বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদি তা নিয়ে ধৃতদের জবানী মিলেছে। এই পরিস্থিতিতে ৮ নভেম্বরও মোদীর সভায় হামলার আশঙ্কা করছে গোয়েন্দারা। নেপথ্যে পাটনা ধারাবাহিক বিস্ফোরণেই মাস্টার মাইন্ড তহসিন আখতার।
হুঙ্কার সমাবেশের আগে পাটনায় মোট ১৮টি বোমা রেখেছিল জঙ্গিরা
এদিকে তদন্তে নেমে এনআইএ জানতে পেরেছে গান্ধী ময়দানে বোমা রেখেছিল ছাত্ররা। পাটনা স্টেশন থেকে ধৃত ইমতিয়াজ এবং মোতিহারি থেকে ধৃত তাবিজকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এমনই জানতে পেরেছ গোয়েন্দারা। ধৃতরা জানিয়েছে, তৌসিম আখতারের নির্দেশে তিনজন ছাত্রই গান্ধী ময়দানে বিস্ফোরক রাখে। এর বিনিময়ে তাঁদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছিল। গ্রেপ্তারির পর ইমতিয়াজের কাছ থেকেও ১০ হাজার টাকা পাওয়া যায়। বাকিদের গ্রেপ্তার করার জন্য তদন্তকারী সংস্থার দল বিহারের জাহানাবাদ এবং উত্তর প্রদেশের মৌতে তল্লাশি চালাচ্ছে।
জানা গিয়েছে, ইমতিয়াজ এবং তৌসিম নিজের দলবলের সঙ্গে রাঁচি থেকে ১৮টি বোমা নিয়ে পাটনা আসে। এনআইএ এবং এনএসজি-র কাছে ইমতিয়াজ স্বীকার করে যে গান্ধী ময়দানে বিস্ফোরণের আগে সে তৌসিমের সঙ্গে বেশ কয়েকবার পাটনা এসেছিল। সে সময় তারা পিরবহোর থানা এলাকার একটি লজে থাকত। এমনকী লজে বসবাসকারী সমস্ত সংখ্যালঘুদের সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ভিডিও দেখিয়ে ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনে সামিল করার চেষ্টা চালিয়ে ছিল। ছাত্রদের টাকার প্রলোভনও দেয় তারা। সে সময়ই ৩ জন ছাত্র আইএম-এ সামিল হয়। ওই তিন ছাত্র সহ মোট ৮ জনকে অন্যদিকে পুলিশসূত্রের খবর, বোমোতিহারি থেকে ধৃত তাবিজ প্রথম ১৫ দিন পিরবহোর লজেই ছিল। তাকে এলাকার রেকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। কয়েকজন স্থানীয় যুবকও তার সঙ্গে ছিল, যারা শহরের পথঘাট চিনতে তাকে সাহায্য করছিল। তাবিজ জানিয়েছে, এই পুরো অপারেশনে ২৮ জনকে কাজে লাগিয়ে ছিল তৌসিম। এদের অধিকাংশই পাটনা এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দা। তাবিজের সঙ্গে দুই যুবক ঝাড়খণ্ডের চিতরপুরে প্রশিক্ষণ নিয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications