১০০ বছরের মধ্যে সর্ববৃহৎ সঙ্কটকে ১০০ দিনে দূর করা যায়? প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন মোদী
শতাব্দীর সেরা সংকট হাজির হয়েছিল বিশ্বে। তা কি মাত্র ১০০ দিনে দূর করা যায়! মহামারী চলে যাওয়ার পরও যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়ে গিয়েছেস তা দূর করতে বিশ্বকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হবে।
শতাব্দীর সেরা সংকট হাজির হয়েছিল বিশ্বে। তা কি মাত্র ১০০ দিনে দূর করা যায়! মহামারী চলে যাওয়ার পরও যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়ে গিয়েছেস তা দূর করতে বিশ্বকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হবে। বৈশ্বিক সংকট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশের উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রের গৃহীত সংস্কারগুলি তুলে ধরে বলেন, আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছি দেশের অর্থনীতি রক্ষার।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ভারত বিশ্বব্যাপী সঙ্কট এবং অর্থনৈতিক মন্দা থেকে নিজেকে বাঁচানোর জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করে চলেছে। করোনা মহামারীর জেরে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ যে অর্থনৈতিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে, তার ধাক্কা নরম করার দিকে কাজ করছে। সরকারি চাকরি প্রত্যাশীদের মধ্যে ৭৫ হাজার নিয়োগের চিঠি বিতরণ করেন মোদী। রোজগার মেলায় ভাষণ দিতে গিয়ে মোদী বলেন, কেন্দ্র তরুণদের জন্য সর্বাধিক চাকরির সুযোগ তৈরি করতে একাধিক ক্ষেত্রে কাজ করছে।
মোদী বলেন, বিশ্বের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি খুব ভালো নয়। বেশ কয়েকটি বড় দেশও অর্থনৈতিক লড়াই করছে। বেশ কয়েকটি দেশে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং বেকারত্বের মতো সমস্যা রয়েছে। তিনি বলেন, এক শতাব্দীর সেরা মহামারীর পা্র্শ্বপ্রতিক্রিয়া কি ১০০ দিনে দূর করা যায়। দেশের উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রের গৃহীত সংস্কারগুলি তুলে ধরে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ভারত বিশ্বব্যাপী সঙ্কট এবং অর্থনৈতিক মন্দা থেকে নিজেকে বাঁচানোর যথাযথ চেষ্টা করছেন।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, উন্নত ভারতের সংকল্প পূরণের জন্য, আমরা আত্মনির্ভর ভারতের পথে এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের কর্মযোগীদের প্রতিষ্ঠায় সরকারি দফতরের দক্ষতা বেড়েছে। ৭-৮ বছরের কটোর পরিশ্রম এর পিছনে রয়েছে। তিনি বলেন, গত ৮ বছরে গৃহীত সংস্কারগুলি ভারতকে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত করেছে।
ভারত আজ পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি। গত আট বছরে আমরা দশম অবস্থান থেকে পঞ্চম অবস্থানে চলে এসেছি। এটি সত্য যে বিশ্বের অনেক বড় অর্থনীতি মুদ্রাস্ফীতি এবং বেকারত্বের সঙ্গে লড়াই করছে। ১০০ বছরের মধ্যে সবথেকে বড় সংকটের প্রভাব কেবল ১০০ দিনে দূর হতে পারে না বলে তিনি জানিয়েছেন।
এসব সত্ত্বেও ভারত সম্পূর্ণ শক্তি নিয়ে নতুন উদ্যোগের সঙ্গে কিছু ঝুঁকি নিয়ে বিশ্বব্যাপী সঙ্কট থেকে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে। আপনাদের সহযোগিতায় আমরা এখন পর্যন্ত নিজেদেরকে বাঁচাতে পেরেছি। আমরা গত আট বছর কমিয়ে এনেছি। যে বিষয়গুলি আমাদের অর্থনীতিতে বাধা সৃষ্টি করেছে, সেগুলি থেকে উত্তরণের চেষ্টা চলছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত মেক ইন ইন্ডিয়া এবং আত্মনির্ভর ভারত অভিযানের মাধ্যমে নতুন উচ্চতা অতিক্রম করছে। এই উদ্যোগগুলি রফতানির সংখ্যায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির দিকে পরিচালিত করেছে। ২০১৪ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, দেশে মাত্র কয়েকশো স্ট্রার্ট আপ ছিল। কিন্তু আজ সংখ্যাটি ৮০ হাজার ছাড়িয়েছে।
তাঁর কথায়, ভারতের যুব সমাজ আমাদের সবথেকে বড় শক্তি। একটি উজ্জ্বল ভভিষ্যতের জন্য ভারতের যুবকদের দক্ষ করে তুলতে ফোকাস করেছে। স্টার্টআপ ইন্ডিয়া আমাদের দেশের যুবকদের আকাঙ্খাতে ডানা মেলে উড়িয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, উৎপাদন ও পর্যটন খাতে প্রচুর কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications