যাত্রা শুরু হল দিল্লির নতুন টানেল , এবার আরও দ্রুত হবে যান চলাচল
সম্প্রতি এক রাতে ১৭১ কিলোমিটার হাইওয়ে রাস্তা বানিয়ে রেকর্ড গড়ে ভারত। এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রবিবার নয়াদিল্লিতে প্রগতি ময়দান ইন্টিগ্রেটেড ট্রানজিট করিডোর প্রকল্পের মূল টানেল এবং পাঁচটি আন্ডারপাস উদ্বোধন করলেন। এর ফলে যানবাহন চলাচল অনেক মসৃণ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

কত খরচ হয়েছে ?
ইন্টিগ্রেটেড ট্রানজিট করিডোর প্রকল্পটি প্রগতি ময়দান পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের একটি বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা ৯২০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে, সম্পূর্ণরূপে কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থ বিনিয়োগে।

কী বলা হয়েছে পিএমও'র বিবৃতিতে ?
পিএমও-এর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে , করিডোরটির লক্ষ্য হল প্রগতি ময়দানে তৈরি হওয়া নতুন বিশ্বমানের প্রদর্শনী এবং কনভেনশন সেন্টারে সমস্যামুক্ত এবং মসৃণ প্রবেশাধিকার প্রদান করা যাতে এই স্থানে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানগুলিতে প্রদর্শক ও দর্শনার্থীদের সহজে অংশগ্রহণের করতে পারে।

আর কি বলা হয়েছে ?
এও বলা হয়েছে যে , "প্রকল্পের প্রভাব, যাইহোক, প্রগতি ময়দানের বাইরে অনেক বেশি হবে কারণ এটি যানজট কমিয়ে দেবে। ফলে মানুষের সমস্যা অনেক কমবে। নিত্য যাত্রীদের সময় এবং খরচ বাঁচাতে সাহায্য করবে এটি।

কোথা থেকে কোথায় গিয়ে পৌঁছাচ্ছে এই টানেল ?
মূল টানেলটি প্রগতি ময়দানের মধ্য দিয়ে পুরানা কেল্লা রোড হয়ে রিং রোডকে ইন্ডিয়া গেটের সাথে সংযুক্ত করেছে। ছয় লেনের বিভক্ত টানেলের একাধিক উদ্দেশ্য রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে প্রগতি ময়দানের বিশাল বেসমেন্ট পার্কিংয়ে প্রবেশাধিকার।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে টানেলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল পার্কিং লটের উভয় দিক থেকে যানবাহন চলাচলের সুবিধার্থে মূল টানেলের রাস্তার নীচে দুটি ক্রস টানেল তৈরি করা।
এটি ট্র্যাফিকের মসৃণ চলাচলের জন্য সবথেকে ভালো গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড সুবিধাগুলির দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে স্মার্ট ফায়ার ম্যানেজমেন্ট, আধুনিক বায়ুচলাচল এবং স্বয়ংক্রিয় নিষ্কাশন, ডিজিটালভাবে নিয়ন্ত্রিত সিসিটিভি এবং টানেলের ভিতরে পাবলিক অ্যানাউন্সমেন্ট সিস্টেম" আছে।












Click it and Unblock the Notifications