Narendra Modi: বছর শেষে রাজকোষে জমা পড়ল হাজার কোটিরও বেশি টাকা, কোথা থেকে এই প্রাপ্তি শুনলে চমকে যাবেন
মোদীর কোষাগার ভরে উঠেছে হাজার কোটিরও বেশি টাকায়। যাকে বলে একেবারে লক্ষ্মী প্রাপ্তি। কীভাবে সেই টাকা রাজকোষে এলো শুনলে চমকে যাবেন। ভাঙাচোরা, কাগজ বিক্রি করে এই হাজার কোটিরও বেশি টাকা আয় করেছে মোদী সরকার। যা দিয়ে আরও দুটো চন্দ্রযান মিশন হয়ে যাবে।
এক কথায় বলতে গেলে ঘর থেকে অলক্ষ্মী বিদায় করে লক্ষ্মী ঘরে তুলেছে মোদী সরকার। লোকসভা ভোটের আগে এই বিপুল অর্থ রাজকোষে জমা পড়ায় যে কতটা সুবিধা হবে মোদী সরকারের তাতে কোনও সন্দেহ নেই। একটি চন্দ্রযা মিশনের খরচ ৬০০ কোটি টাকা। এই ভাঙাচোরা বিক্রি করে তার দ্বিগুণ আয় করে ফেলেছে।

সূত্রের খবর ২০২৩ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত এই ভাঙাচোরা, পুরনো কাগজ-ফাইল বিক্রি করে ১১৬৩ কোটি টাকা ঘরে তুলেছে মোদী সরকার। ২০২১ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত বিভিন্ন সরকারি দফতরে ৯৬ লক্ষ পুরনো অপ্রয়োজনীয় নষ্ট হয়ে যাওয়া কাগজ এবং ফাইলপত্র ছাঁটাই করা হয়েছে।
এই ছাঁটাই এবং সাফাই অভিযানে বিভিন্ন সরকারি দফতরের মোট ৩৫৫ স্কোয়ারফুট এলাকা ফাঁকা করা সম্ভব হয়েছে। এই সব পুরনো ফাইল এবং কাগজপত্র রাখার কারণে সেই বিশাল সংখ্যাক জায়গা ভর্তি হয়ে ছিল। এই ফাঁকা হওয়া জায়গার সরকারি কর্মীদের জন্য রিক্রিয়েশনের বন্দোবস্ত করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
রাশিয়ার মুন মিশনে ১৬,০০০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। আর ভারত মুন মিশনে ৬০০ কোটি টাকা খরচ করেছে। শুধুমাত্র পুরনো কাগজ আর ভাঙাচোরা বিক্রি করে যে বিপুল অর্থ মোদীর কোষাগারে জমা পড়েছে তাতে আরও দুটো চন্দ্রযান অভিযান হয়ে যাবে।
চলতি বছরে ৫৫৬ কোটি টাকা মোদী সরকারের ঘরে জমা পড়েছে কেবল এই ভাঙাচোরা এবং আবর্জনা বিক্রি করে। শুধু রেলওয়ে মন্ত্রকই ভাঙাচোরা বিক্রি করে ২২৫ কোটি টাকা রোজগার করেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকও পিছিয়ে নেই। তারা ও ভাঙাচোরা বিক্রি করে ১৬৮ কোটি টাকা পেয়েছে। আবার পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক পেয়েছে ৫৬ কোটি টাকা। একই কারণে কয়লা মন্ত্রক পেয়েছে ৩৪ কোটি টাকা।
আর এই সব ভাঙাচোরা পুরনো কাগজ-ফাইল বিক্রির কারণে বিভিন্ন সরকারি দফতরের মোট ১৬৪ স্কোয়ার ফুট জায়গা খালি করা গিয়েছে। সবচেয়ে বেশি জায়গা খালি হয়েছে কয়লা মন্ত্রকে। সেখানে ৬৬ স্কোয়ারফুট জায়গা খালি করা গিয়েছে। ভারী শিল্পমন্ত্রকে ২০ লক্ষ স্কোয়ারফুট জায়গা খালি করা িগয়েছে আর প্রতিরক্ষা মন্ত্রকে ১৯ লক্ষ স্কোয়ারফুট বা বর্গফুট এলাকা খালি করা গিয়েছে।
চলতি বছরে সবচেয়ে বেশি পুরনো ফাইল বাতিল করা হয়েছে বা বিক্রি করা হয়েছে বিদেশমন্ত্রকের। প্রায় ৩.৯ লক্ষ পুরনো ফাইল বিক্রি করা হয়েছে। এদিকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের ৩.১৯ লক্ষ পুরনো ফাইল বিক্রি করা হয়েছে। এই সব কাগুজে ফাইলের যাবতীয় নথি কম্পিউটারে সংগ্রহ করা হয়েছে। যে টার্গেট নিয়ে মোদী সরকার কাজ শুরু করেছিল সেটা ১০০ শতাংশ সফল হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications