ইউক্রেনের সংকট থেকে জি-২০ প্রেসিডেন্সি, জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে ‘গাঁটছড়া’ শক্ত করলেন মোদী
২০২১ সালের ডিসেম্বরে ওলাফ শোলজ জার্মান চ্যান্সেলর হয়েছিলেন। তারপর এই প্রথম তিনি ভারতে এলেন।
ভারত যেমন ইউক্রেনের সংকটে পাশে দাঁড়িয়েছে, তেমনই এবার জি-২০ সম্মেলনে প্রেসিডেন্সির সুযোগ পেয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর এ সমস্ত পদক্ষেপে পাশে পেয়েছেন জার্মানকে। শনিবার জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলজের সঙ্গে সম্পর্কের বন্ধনকে আরও শক্ত করলেন তিনি। ভারত-জার্মানের 'গাঁটছড়া' বাঁধলেন মোদী-শোলজ।
শনিবার নয়াদিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলজকে অনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা জ্ঞাপন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি ভারতে স্বাগত জানান জার্মান চ্যান্সেলরকে। জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলজ ভারতে এসেছেন দু-দিনের সফরে। এদিন তিনি ভারতের রাজধানী দিল্লিতে পা দেন। তারপর রাষ্ট্রপতি ভবনে অতিথিকে স্বাগত জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

২০২১ সালের ডিসেম্বরে ওলাফ শোলজ জার্মান চ্যান্সেলর হয়েছিলেন। তারপর এই প্রথম তিনি ভারতে এলেন। জার্মান চ্যান্সেলর হওয়ার প্রায় ১ বছর তিন মাসের মাথায় তিনি ভারতে এলেন। এই সফরে জার্মান চ্যান্সেলরেরর সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বেশ কিছু বিষয়ে আলোচনা হয়। তাঁরা চুক্তিবদ্ধও হন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলজ আলোচনা করেন শক্তি, বাণিজ্য এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তির ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে। তাঁদের মধ্যে বিস্তৃত আলোচনা হয়। এই আলোচনায় তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে আলোচনায় উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্যের আদানপ্রদান ছাড়াও ডিজিটাল ট্রান্সফর্মেশন, ফিনটেক, আইটি, টেলিকম এবং সরবরাহ সম্পর্কিত চুক্তিগুলি সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আরও বলেন, উভয় পক্ষই ঐক্যমত্য হযেছে। আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ রোধে উভয়পক্ষই কাজ করবে। শক্তহাতে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলা করবে। এ ব্যাপারে দৃঢ় পদক্ষেপও নেবে। এই ধরনের নিরপত্তাজনিত সমস্যার বিরুদ্ধে উভয় দেশই একসাথে কাজ করবে।
এদিন উভয় দেশের জননেতার পক্ষ থেকে ইউক্রেন সঙ্কট নিয়ে কথা হয়। এ প্রসঙ্গে শোলজ বলেন, "এই বছর জি-২০ সম্মেলনের প্রেসিডেন্সি রয়েছে ভারতের হাতে। এই কঠিন সময়ে ভরাত অত্যন্ত দায়িত্বশীল কাজ করেছে। আমি আত্মবিশ্বাসী যে ভারতীয়রা এ বিষয়ে যা যা করা দরকার তা পুরোপুরি মেনে চলবে।" ইন্দোনেশিয়ার বালিতে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের মোদী ও শোলজের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পর এই সফরটি ছিল বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। বিশ্ব রাজনীতিতে ভারতের প্রভাব যে অনেকটাই বেড়েছে, তা ফের একবার প্রমণ করল মোদী-শোলজের এই বৈঠক।












Click it and Unblock the Notifications