রাহুলকে কাউন্টার অ্যাটাক! আদানি উত্তাপের মাঝে ‘মন কে সান্ত্বনা’ বলে খোঁচা মোদীর
গণতন্ত্রে আলোচনার একটা বিশেষ গুরুত্ব আছে বলে আমি মনে করি। কিন্তু কেউ তো আসবে আলোচনার জন্য। কেউ আলোচনার জন্য না এসে শুধু সমালোচনা করে যাচ্ছে।
দেশের ১৪০ কোটি মানুষ যে ঘটনার জন্য গর্বিত, তাতে কয়েকজন মানুষ খুব দুঃখিত হয়েছেন। যাঁরা দুঃখিত হয়েছেন, তাঁদের আত্মসমীক্ষা করা উচিত। মঙ্গলবার সংসদে শিল্পপতি গৌতম আদানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সম্পর্কি নিয়ে সংসদে খোঁচা দিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। বুধবার তার পাল্টা দিলেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিন সংসদে জবাবি ভাষণে নাম না করে রাহুল গান্ধীকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কাল সংসদে শুনছিলাম কয়েকজনের ভাষণ। কয়েকজন আনন্দের সঙ্গে বলছিলেন- এবার হল তো, দেখলেন তো কী হল। কিছু লোক তো সাম্প্রতিক ঘটনায় বেশ উৎফুল্ল। ওরা হয়তো এবার বেশ ভালোভাবে ঘুমিয়েছেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে উঠতে পারেননি।
রাহুল গান্ধী নিশানায় তিনি ছড়ার সুরে বলেন, এখমন এই সব কথা বলে মনকে সান্ত্বনা দিচ্ছেন ওরা। কেননা সান্ত্বনা দেওয়া ছাড়া আর কিছু করার নেই। তিনি বলেন, গণতন্ত্রে আলোচনার একটা বিশেষ গুরুত্ব আছে বলে আমি মনে করি। কিন্তু কেউ তো আসবে আলোচনার জন্য। কেউ আলোচনার জন্য না এসে শুধু সমালোচনা করে যাচ্ছে।
আদানি ইস্যুতে কয়েকদিন ধরেই অধিবেশন উত্তাল হয়ে উঠেছিল। ফলে এদিন রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর ধন্যবাদ জ্ঞাপনের জবাবি ভাষণে এদিন প্রধানমন্ত্রী কী বলেন, তার উপর সকলের নজর ছিল। তিনি রাহুল গান্ধীকে নিশানার পাশাপাশি লোকসভার বিরোধী দলনেতা অধীর চৌধুরী ও কংগ্রেসকেও নিশানা করেন।
আদানি গোষ্ঠী ও হিন্দানবার্গ রিপোর্ট নিয়ে একটি শব্দও খরচ করেননি তিনি। বিরোদীদের পাল্টা কটাক্ষে তিনি বলেন, সংসদে অনেকেই নিজের নিজের বক্তব্য পেশ করেছেন। নিজের রুচি ও সংস্কৃতি নিয়ে তিনি বক্তব্য পেশ করেন। আমি তা শুনেই বুঝতে পেরেছি কার কত যোগ্যতা। কার কত ক্ষমতা।
এদিন তিনি কারও নাম করেনি, তবে বুঝিয়ে দিয়েছেন তাঁর নিশানায় কে? তিনি বলেন, একজন বড় নেতা তো তাঁর ভাষণে রাষ্ট্রপতির অপমানও করে ফেলেছেন। ফলে আমাদের জনজাতি গোষ্ঠীর প্রতি তাঁদের কী মনোভাব, তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। তাঁদের অন্দরে থাকা ঘৃণার বীজ সামনে এসে গিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, আমার আশঙ্কা ছিল রাষ্ট্রপতির ভাষণে সরকারের উন্নয়নের কথা শুনে আপত্তি করবেন বিরোধীরা। কিন্তু আমি খুশি যে তাঁরা তা নিয়ে কোনও বিরোধিতা করেননি। অর্থাৎ সবাই স্বীকার করে নিয়েছেন সরকারের উন্নয়ন তথা বিকাশের পরিসংখ্যান। ভারতের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ঝরে তিনি বলেন, বিরোধীরা হতাশাগ্রস্ত হয়ে এখন নীরব মোদী, গৌতম আদানির নাম নিয়ে হই হট্টগোল করছেন।












Click it and Unblock the Notifications