Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Nagpur Clash: ঔরঙ্গজেব-বিদ্বেষের মূলে ‘ছাবা’! নাগপুরে হিংসায় ভিকি-রাশমিকার ছবিকে দায়ী করলেন মুখ্যমন্ত্রী

Nagpur Clash: দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে রণক্ষেত্র নাগপুর। মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের সমাধি সরানোর দাবির মাঝেই ধর্মগ্রন্থ পোড়ানোর গুজব রটে গিয়ে অশান্তি বাঁধে দুই গোষ্ঠীর। সোমবার রাতভর সংঘর্ষে ঘরবাড়ি, গাড়ি ভাঙচুর থেকে শুরু করে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। কার্ফু জারি করতে বাধ্য হয়েছে প্রশাসন। আর এবার অশান্তির জন্য ভিকি কৌশলের 'ছাবা' ছবিকে দুষলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীস।

মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ঔরঙ্গজেবের বিরুদ্ধে ঘৃণার জন্ম দিয়েছে ছাবা সিনেমাটি। নাগপুরে পরিকল্পনামাফিক অশান্তি করা হয়েছে বলে দাবি তুলেছে শাসকদল বিজেপি। দলের নেতা ফড়নবীসও একই কথা বললেন। তিনি জানান, "ছত্রপতি শিবাজীর জীবনী নির্ভর ছবি ভিকি কৌশলের 'ছাবা'। আর ওই ছবি দেখেই ঔরঙ্গজেবকে নিয়ে মানুষের মনে ঘৃণা জন্মেছে। কিন্তু মহারাষ্ট্রকে শান্তিপূর্ণ রাখতে হবে।" চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থারও আশ্বাস দিয়েছেন ফড়নবীস।

CHHAVA

এদিন নাগপুরের সংঘর্ষ নিয়ে বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "নাগপুরে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দল প্রতিবাদ দেখিয়েছে। কিন্তু ধার্মিক কিছু পোড়ানো হয়েছে বলে গুজব রটে যায়। আর তাই বোঝা যাচ্ছে এটা পরিকল্পনামাফিক ঘটানো হয়েছে। আইন হাতে নেওয়ার অধিকার কারও নেই।" নাগপুরের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি তাঁর।

শিন্ডে এদিন বলেন, "দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। ২ থেকে ৩ হাজার লোক জড়ো হয়ে মোমিনপুরা, চিন্তিস নগর-সহ অন্যান্য এলাকায় ঘরবাড়িতে হামলা চালায়। পাথর ছুড়ে হামলা করা হয়। সাধারণ মানুষ তো বটেই, পুলিশও হামলার হাত থেকে ছাড় পায়নি। এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে সবকিছু পূর্বপরিকল্পিত ছিল। সাম্প্রদায়িক অশান্তি করার চেষ্টা করছে কিছু লোক। গোটা ঘটনার উপর মুখ্যমন্ত্রীর নজরদারি রয়েছে।"

এদিকে নাগপুরে সংঘর্ষের ঘটনায় জল গড়িয়েছে সংসদেও। মহারাষ্ট্রে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীত ও আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটেছে অভিযোগ তুসে কংগ্রেস নেত্রী রেনুকা চৌধুরী রাজ্যসভায় সাসপেনশন নোটিস আনেন। রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারকে একযোগে দায়ী করেছে বিরোধী শিবির। নোটিসে বলা হয়েছে, গত ৩০০ বছরে নাগপুরবাসী এমন দাঙ্গা চোখে দেখেননি।

প্রসঙ্গত, মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের সমাধি সরিয়ে দেওয়ার দাবি তুলেছে হিন্দু সংগঠনগুলি। সকালে এনিয়ে প্রতিবাদের পরই রাতে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ বেঁধে যায়। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দলের প্রায় জনা ৪০-৫০ জন কর্মী ঔরঙ্গজেবের সমাধিস্থল গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবিতে প্রতিবাদ প্রদর্শনে সামিল হন। মুঘল সম্রাটের কুশপুতুল আগুনে জ্বালিয়ে দেয় তারা।

এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব রটে যায় যে ওই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বিশেষ ধর্মের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পোড়ানো হয়েছে। গুজব রটতেই রাস্তায় শয়ে শয়ে যুবক নেমে পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করে। সন্ধে সাড়ে ৭টা নাগাদ ব্যাপক আকার নেয় সংঘর্ষ। আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে প্রায় ২৫টি বাইক ও তিনটি গাড়ি এবং একটি ক্রেন। বাধ্য হয়ে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে আহতও হয়েছেন প্রায় ৩০ জন প্রশাসনিক আধিকারিক।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+