নবীন পট্টনায়কের সমর্থন দ্রৌপদী মুর্মুকে, তাহলে কি বিরোধী ঐক্যের হাত ছাড়ল বিজেডি
নবীন পটনায়কের সমর্থন দ্রৌপদী মুর্মুকে, তাহলে কি বিরোধী ঐক্যের হাত ছাড়ল বিজেডি
বিজেপির রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর নাম ঘোষণা হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। আদিবাসী সম্প্রদায়ের নেত্রী দ্রৌপদী মুর্মুকে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য বাছাই করেছে গেরুয়া শিবির। গতবার দলিত ভোটকে টার্গেট করে রামনাথ কোভিন্দকে রাষ্ট্রপতি পদে বসিয়েছিল বিজেপি। এবার টার্গেট মহিলা ভোটার। তার উপরে আদিবাসী সম্প্রদায়ের নেত্রীকে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে বাছাই করে একেবারে ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, ছত্তিশগড়কে টার্গেট করে ফেলেছে বিজেপি। ইতিমধ্যেই ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়কের সমর্থন পেয়ে গিয়েছেন দ্রৌপদী মুর্মু। বিরোধী শিবিরের দল বিজেপি। তারপরেই বিজেপি প্রার্থীকে সমর্থন করায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে।

বিজেপির প্রার্থীকে সমর্থন বিজেডির
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবার এনডি-র তুরুপের তাস দ্রৌপদী মুর্মু। আদিবাসী সম্প্রদায়ের নেত্রী। ওড়িশা থেকেই তাঁর উত্থান। ২০০০ সালে প্রথম ওড়িশার রাইরংপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপি বিধায়ক পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। ওড়িশার মেয়েকে তাই সমর্থনের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বিজেডি। অবিজেপি দল হলেও কেবলে মাত্র ওড়িশার কথা ভেেবই যে নবীন পটনায়ক বিজেপির রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। এখানেও একটা ভোটব্যাঙ্কের অঙ্ক লুকিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে অবিজেপি দলের সমর্থন পেয়ে রাইসিনার দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি।

কে এই দ্রৌপদী মুর্মু
আদিবাসী নেত্রী। কঠিন লড়াই করেই রাজনীতির দৌড়ে প্রথম সারিতে এসেছেন তিনি। িছলে সহকারী শিক্ষিকা সেখান থেকে রাইসিনার দৌড়ে সামিল হয়েছেন তিনি। ওড়িশা থেকে প্রথম বিজেপি বিধায়ক পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। ওড়িশার বিেজপি-বিজেডি জোট সরকারে মন্ত্রীর পদও সামলেছেন তিনি। ১৯৯৪ সালে কাউন্সিলর হয়েছিলেন তিনি। সেই থেকে উত্থান। বিজেপির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। ২০০২ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত আদিবাসী মোর্চার জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য ছিলেন তিনি। ২০১০-এ ময়ুরভঞ্জ জেলার বিজেপি সভাপতি হয়েছিলেন তিনি। তারপরে ২০১৯ থেকে ২০২১ পর্যন্ত ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল পদে ছিলেন তিনি। সেখান থেকে রাইসিনার দৌড়ে।

বিরোধীদের প্রার্থী যশবন্ত
এদিকে অবিজেপি দল গুলি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী করেছে প্রাক্তন বিজেপি নেতা যশবন্ত সিনহাকে। গতকালই তাঁরা সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। তারপরেই যশবন্ত সিনহা টিএমসিতে যোগ দেন। গতকালই তাঁর নাম রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণার আগেই টিএমসি ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন। তাতে চাপ বেড়েছে টিএমসির। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য অটল জমানার এই বিজেপি নেতা ২০২১-র বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপি ছেড়ে টিএমসিতে যোগ দিয়েছিলেন। এবং টিএমসিতে বড় পদেই বসানো হয়েছিল তাঁকে।

যশবন্তকে সমর্থন কেসিআরের
এদিকে যশবন্তকে সমর্থনের কথা জানিয়েছে কেসিআর। সামনেই তেলঙ্গানায় বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে থেকেই মোদীর বিরোধিতায় সরব হয়েছে কে চন্দ্রশেখর রাও। কর্নাটককে বাদ দিলে দক্ষিণের জমি ক্রমশ আলগা হতে শুরু করেছে বিজেপির কাছে। তামিলনাড়ুতে কায়দা করতে পারেনি মোদী-শাহরা। কেরলে তো বামেরাই সাম্রাজ্য বজায় রেখেছে। বাকি ছিল তেলঙ্গানা সেখানেও বেঁকে বসেছে চন্দ্রশেখর রাও। যশবন্তকে সমর্থন জানিয়ে এক প্রকার বিজেপি শিবিরকে বার্তা দিয়েছেন কেসিআর।












Click it and Unblock the Notifications