বাবা-মা, দাদু-দিদার ভালবাসা পাওয়ার অধিকার রয়েছে শিশুদের! বার্তা মুম্বই হাইকোর্টের
শিশুরা (children) চায় ভালবাসা (love), স্নেহ (affection)। সেই অধিকার তাদের রয়েছে। সম্প্রতি বম্বে হাইকোর্টের (Bombay High Court) তরফে এক বিবাহ বিচ্ছিন্ন মহিলেকে নির্দেশ দিয়ে বলেছে, প্রাক্তন স্বামী (parents) এবং শ্বশুরবাড
শিশুরা (children) চায় ভালবাসা (love), স্নেহ (affection)। সেই অধিকার তাদের রয়েছে। সম্প্রতি বম্বে হাইকোর্টের (Bombay High Court) তরফে এক বিবাহ বিচ্ছিন্ন মহিলেকে নির্দেশ দিয়ে বলেছে, প্রাক্তন স্বামী (parents) এবং শ্বশুরবাড়ির (grand parents)লোকজনকে চারদিনের জন্য সন্তানদের সঙ্গে দেখা করতে দিতে হবে। এক সর্বভারতী সংবাদ মাধ্যমে এই সংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হয়েছে।

সন্তানদের সঙ্গে দেখা করতে দিতে বাবার আবেদন
মুম্বই হাইকোর্টে ৩৮ বছর বয়সী এক বাবার দায়ের করা আবেদনের ভিত্তিতে এই নির্দেশ দিয়েছে। আদালতে বাবা অভিযোগ করেছিলেন, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও গত ২২ মাস ধরে প্রাক্তন স্ত্রী তাঁর শিশুদের সঙ্গে দেখা করতে দেননি। আদালতে করা আবেদনে বাবা বলেছিলেন, তিনি সন্তানদের অস্থায়ীভাবে হেফাজতে চেয়েছিলেন। কেননা শিশুর দাদু-দিদা অসুস্থ অবস্থায় তাঁর নাতি-নাতনিদের দেখতে চেয়েছিলেন। সেই কারণে তিনি আদালত অবমাননার অভিযোগও দায়ের করতে চান।

আদালতে আইনজীবীর অভিযোগ
সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি অনুজা প্রভুদেশাইয়ের ডিভিশন বেঞ্চে আবেদনকারীর আইনজীবী অজিঙ্কা উধানে জানিয়েছেন, ২০১৮ সালে দম্পতি আলাদা হয়েছিলেন। সেই সময়েই মায়ের কাছে ১০ বছরের জমজ সন্তানদের রাখার কথা হয়েছিল। যদিও ২০২০-র জুনের পরে ওই মহিলা চুক্তি মানেননি। সেই কারণেই শিশুদের বাবার তরফ থেকে শিশুদের অস্থায়ী হেফাজতে চাওয়া হয়েছে। আবেদনকারীর আইনজীবী আদালতে আরও জানিয়েছিলেন, শিশুদের দাদু-দিদা অসুস্থ। তাঁরা শিশুদের সঙ্গে দেখা করতে চান।
এছাড়াও আবেদনকারীর আইনজীবী সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতিকে জানান, ওই মহিলা আদালতের দেওয়া ১০ মার্চের আদেশও অমান্য করেছেন। যেখানে বলা হয়েছিল, শিশুদের জন্মদিনে তাদের বাবার সঙ্গে দেখা করার অনুমতির কথা বলা হয়েছিল।

আদালতের নির্দেশ
আদালতের তরফে বলা হয়েছে, শিশুদের কখনই আবেদনকারী বাবার সঙ্গে সময় কাটানো থেকে বাধা দেওয়া যাবে না। পাশাপাশি শিশুটিরও অধিকার রয়েছে, তাদের বাবা-মা এবং দাদু-দিদাদের সঙ্গে সময় কাটানোর। এই বিষয়টি শিশুদের ব্যক্তিগত বিকাশ এবং সামগ্রিক মঙ্গলের জন্য অপরিহার্য বলেও মন্তব্য করা হয়েছে আদালতের তরফে।
বেঞ্চের তরফে বলা হয়েছে, মামলার যোগ্যতার মধ্যে না গিয়ে শিশুদেরকে ১৪ থেকে ১৬ এপ্রিলের মধ্যে বাবার সঙ্গে সময় কাটাতে দিতে হবে। শিশুদের মাকে নির্দেশ দেওয়া হয় ১৪ এপ্রিল পুনের মলে তিনি শিশুদের নিয়ে আসবেন, সেখানে তারা বাবার সঙ্গে ৪ ঘন্টা সময় কাটাবে। তারপর থেকে শিশুরা বাবার হেফাজতে থাকবে। বাবা ১৭ এপ্রিল ১১ টায় মলের একই জায়গায় শিশুদের ফিরিয়ে আনবেন এবং ৪ ঘন্টা একসঙ্গে সময় কাটাবেন। এবং বিকেল ৩ টেয় শিশুদেরকে মায়ের হাতে তুলে দেবেন।

মামলার পরবর্তী শুনানি ২১ এপ্রিল
আদালতের তরফে মামলায় হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শালিনী ফানসালকার-যোশীকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি বন্ধুত্বপূর্ণ মীমাংসার চেষ্টা করবেন এবং আগামী ছয়মাসের মধ্যে তাঁর রিপোর্ট জমা করবেন। এছাড়াও ২১ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানিতে মধ্যবর্তী সময়ে শিশুদের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।












Click it and Unblock the Notifications