নির্ভয়াকাণ্ড মনে করিয়ে দিল মুম্বইয়ের সাকি নাকা, ধর্ষণের পর লোহার রড ঢুকিয়ে অত্যাচার, মৃত্যু নির্যাতিতার
নির্ভয়াকান্ড মনে করিয়ে দিল মুম্বইয়ের সাকি নাকা, বাণিজ্য নগরীতে শিউরে ওঠার মত ধর্ষণকাণ্ড
মুম্বইকে দেশের সবচেয়ে নিরাপদ শহর বলে দাবি করা হয়। মধ্যরাত পর্যন্ত েসখানে মেয়েরা ঘোরা েফরা করতে পারেন। সেই মুম্বই শহরে গতকাল রাতে ঘটেছে নারকীয় এক ধর্ষণ কাণ্ড। যা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে দিল্লির নির্ভয়াকাণ্ডের কথা। টেম্পোর মধ্যে ধর্ষণ করে গোপনাঙ্গে লোহার রড ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। ৩৬ ঘণ্টা হাসপাতালে লড়াই করার পর মারা যান নির্যাতিতা।

মুম্বইয়ের ধর্ষণকাণ্ড
গণেশ চতুর্থীর আগের দিন রাতে মুম্বইয়ে নারকীয় ধর্ষণকাণ্ড। রাতের অন্ধকারে মুম্বইয়ের সাকি নাকা এলাকায় ৩৪ বছরের এক মহিলাকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়। সেখানেই থেমে থাকেনি ধর্ষণকারী, মহিলার গোপনাঙ্গে লোহার রড ঢুকিয়ে চলে চরম নির্যাতন। সকালে যখন পুলিশ উদ্ধারে যায় তখন দৃশ্য দেখে শিউরে উঠেছিলেন তাঁরা। রক্তে ভেসে যাচ্ছে গোটা টেম্পো। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ। কিন্তু বাঁচাতে পারেননি। ৩৬ ঘণ্টা লড়াই করার পর শনিবার সকালে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন নির্যাতিতা। এই নারকীয় অত্যাচারের পর বেঁচে থাকাটা কঠিন। বাঁচেননি নির্ভয়াও। সিঙ্গাপুর পর্যন্ত উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাঁেক। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি।

মুম্বইয়ের মত নিরাপদ শহরে এমন ঘটনা
দেশের মধ্যে সবচেয়ে নিরাপদ শহর হিসেবে খ্যাতি রয়েছে মুম্বইয়ের। সেখানেই নাকি এক মাত্র মেয়েরা মধ্যরাত পর্যন্ত অনায়াসেই ঘোরাফেরা করতে পারে। মুম্বইয়ের মত সেই নিরাপদ শহরের বুকে এমন ঘটনায় শিউরে উঠেছেন সকলেই। দিল্লিতে নির্ভয়াকাণ্ডের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে এই সাকিনাকা ধর্ষণকাণ্ড। ৩৪ বছরের ওই মহিলাকে গণধর্ষণ করা হয়েছে কিনা সেটা এখনও স্পষ্ট নয়। সবচেয়ে আশ্চর্যের কথা রাস্তার ধারেই টেম্পোটি দাঁড় করানো ছিল। পুলিশ জানিয়েছে শুক্রবার ভোরে তাঁদের কন্ট্রোলরুমে ফোন আগে সাকিনাকায় এক ব্যক্তি এক মহিলাকে নির্মমভাবে মারধর করছে। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। রাস্তার ধারে দাঁড় করানো টেম্পোয় উঁকি মারতেই শিউরে উঠেছিলেন পুলিশকর্মীরাও। রক্তে ভেসে যাচ্ছিল গোটা েটম্পো।

গ্রেফতার ১
ঘটনার পরেই এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মোহন চৌহান(৪৫) তার নাম। আর কেউ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত আছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। হঠাৎ করে নির্যাতিতার মৃত্যুতে কিছুটা হলেও থমকে গিয়েছে তদন্ত। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই ধর্ষণের ঘটনার চিত্রটা আরও পরিস্কার হবে বলে মনে করছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে দফায় দফায় জেরা করা হচ্ছে। নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। অভিযুক্তের সঙ্গে নির্যাতিতার কোনও সম্পর্ক আগে ছিল কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কোন কোন ধারায় মামলা
ইতিমধ্যেই ধৃতের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ৩০৭ ধারায় (খুনের েচষ্টা), ৩৭৬(ধর্ষণ) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নির্যাতিতার ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর আরও ধারা যুক্ত হতে পারে মামলায় এমনই মনে করা হচ্ছে। মহিলার মৃত্যুর পর তাতে খুনের ধারাও যোগ করা হবে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। এই ঘটনায় রীতিমত শিউরে উঠেছে মুম্বই নগরী। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়েও।












Click it and Unblock the Notifications