ধর্ষণের অভিযোগে বিপাকে আরও এক ধর্মগুরু, তদন্তের নির্দেশ মুম্বই আদালতের
রাম রহিমের মতোই এবার অপর এক গুরুর খোঁজ। অভিযুক্ত সুনীল কুলকার্নির বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও যৌন নিগ্রহের অভিযোগ ওঠায়, ফের মুম্বই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চকে ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে মুম্বই হাইকোর্ট।
রাম রহিমের মতোই এবার অপর এক গুরুর খোঁজ। অভিযুক্ত সুনীল কুলকার্নির বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও যৌন নিগ্রহের অভিযোগ ওঠায়, মুম্বই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চকে ফের ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে মুম্বই হাইকোর্ট।

ধর্মীয় সংগঠনের প্রধান সুনীল কুলকার্নির বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও যৌন নিগ্রহের অভিযোগ করেছিলেন দুই কিশোরীর পরিবার। ওই সংগঠন তাঁদের আটকে রেখেছিল বলে অভিযোগ। দুই কিশোরীর বাবা-মায়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে মুম্বই হাইকোর্টের বিচারপতি আরএম সাওয়ন্ত এবং সন্দীপ সিন্ডে মুম্বই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চকে তদন্তের নির্দেশ দিয়ে প্রয়োজনে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারা প্রয়োগেরও কথা বলেছেন।
নারী পাচারের অভিযোগে গত এপ্রিলে সুনীল কুলকার্নিকে গ্রেফতার করা হয়। প্রতারণা, জালিয়াতিরও অভিযোগ আনা হয়েছিল সুনীল কুলকার্নির বিরুদ্ধে। সেই সময় মুম্বইয়েরই এক দম্পতি সুনীল কুলকার্নি এবং তার ধর্মীয় সংগঠন সিফু সুনকৃতির বিরুদ্ধে মুম্বই হাইকোর্টে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁদের দুই মেয়েকে আটকে রাখার অভিযোগও করেছিলেন ওই দম্পতি। এরপরেই অভিযোগের তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় ক্রাইম ব্রাঞ্চকে।
যদিও আবেদনকারীর আইনজীবী সন্দেশ প্য়াটেল মুম্বই হাইকোর্টে জানিয়েছেন, ক্রাইম ব্রাঞ্চের তদন্ত আশানুরূপ নয়। কেননা অভিযোগকারীর বয়ান থাকলেও, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ৩৭৬ ধারা প্রয়োগ করা হয়নি। আইনজীবী আদালতের কাছে আরও দাবি করেছেন, ক্রাইম ব্রাঞ্চকে নতুন করে অভিযোগের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হোক, কিংবা তদন্তের ভার সিবিআই-এর হাতে তুলে দেওয়া হোক। স্বেচ্ছায় সংগঠনে যোগ দেওয়ায় এবং সংগঠনের কাজে অংশ নেওয়ায় এফআইআর-এ ধর্ষণের অভিযোগ রাখা হয়নি বলে জানা গিয়েছে। তবে অভিযোগকারীর আইনজীবীর অভিযোগ দুই যুবতীর বয়ান নেওয়ার সময় তাঁরা মাদকাসক্ত ছিল।












Click it and Unblock the Notifications