৮০০ কোটির দুর্নীতি! মুম্বই বিমানবন্দর কেলেঙ্কারি মামলায় জিভিকে গ্রুপের একাধিক অফিসে ইডি হানা
৮০০ কোটির দুর্নীতি! মুম্বই বিমানবন্দর কেলেঙ্কারি মামলায় জিভিকে গ্রুপের একাধিক অফিসে ইডি হানা
চলতি মাসের শুরুতেই মুম্বই বিমানবন্দর নির্মাণে যে বড়সড় আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে জি ভি কে রেড্ডি গ্রুপের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির মামলা রুজু করে সিবিআই। তারপরেই একই অভিযোগে জি ভি কে গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মামলা রুজ করতে দেখা যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকেও। এবার এই মামলার তদন্ত চলাকালীন মঙ্গলবার হায়দ্রাবাদ ভিত্তিক জিভিকে গ্রুপের একাধিক অফিসে হানা দিলেন ইডির আধিকারিকেরা।

জিভিকে-র মুম্বাই ও হায়দরাবাদের অফিসে হানা
মুম্বই বিমানবন্দর নির্মাণের ও দেখভালের ক্ষেত্রে এই সংস্থার বিরুদ্ধে ৮০০ কোটি টাকার তছরুপের অভিযোগ রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সূত্রের খবর, এদিন প্রাথমিকভাবে জিভিকে-র মুম্বাই ও হায়দরাবাদ অফিস এবং মুম্বই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লিমিটেডের (এমআইএএল) কার্যালয়ে অনুসন্ধান চালানো হয় জানা যাচ্ছে। এই দুই সংস্থাই যৌথ উদ্যোগে মুম্বই বিমানবন্দর পরিচালনা করে বলে খবর।

১৩ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের
এদিকে এই ঘটনায় আর্থিক তছরুপের অভিযোগে গত ২৭শে জুন জিভিকে গ্রুপের চেয়ারম্যান ভেঙ্কটকৃষ্ণ রেড্ডি গুণপতি ও তাঁর ছেলে তথা মুম্বই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ভি রেড্ডির বিরুদ্ধে প্রথম মামলা দায়ের করে সিবিআই। পরবর্তীতে একই পথে হেঁটে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে অভিযোগ নথিভুক্ত করে ইডিও। ইডি-র এফআইআরে জিভিকে গ্রুপের চেয়ারম্যান সহ ১৩ জন ব্যক্তির নাম রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

ইডি-র ইমেলের উত্তর দেয়নি জিভিকে গ্রুপ
পাশাপাশি জিভিকে রেড্ডি মুম্বই ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট লিমিটেড (এমআইএএল), এবং বিমানবন্দর নির্মাণ ও দেখাশোনার জন্য বারত প্রাপ্ত বেশ কয়েকটি সংস্থার আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তোলে ইডি। এদিকে ইডির তরফে জিভিকে গোষ্ঠীর কাছে একটি ই-মেলও করা হয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। কিন্তু তারও কোনও উত্তর আসেনি।

ঘটনার মূল সূত্রপাত কোথায় ?
সূত্রের খবর, ২০০৬ সালে শুরু হয় মুম্বই বিমানবন্দরের আধুনীকিকরণের কাজ। নতুন নির্মান, রক্ষণাবেক্ষণের কাজে এয়ারপোর্ট অথারিটির সঙ্গে যৌথ ভাবে কাজের বরাত পায় জিভিকে গ্রুপ। সূত্রের খবর, এই পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপে ৫০.৫ শতাংশ অংশিদারী ছিল জিভিকে গ্রুপের। এখানেই স্বজন পোষণের অভিযোগে তুলেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দলের আধিকারিকেরা। যার জেরে বিগত দশক থেকেই বিমানবন্দরের রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ভয়াবহ ভাবে কমেছে বলে জানা যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications