মুকুল দিল্লিতে নেমেই যা দেখলেন, তা আগে দেখেননি! ছবিটা বদলে গেল কয়েকদিনেই
মুকুল দিল্লিতে নেমেই যা দেখলেন, তা আগে দেখেননি! ছবিটা বদলে গেল কয়েকদিনেই
বাংলায় যতই বিতর্ক থাক, দিল্লির দরবারে রাজকীয় সংবর্ধনা পেলেন মুকুল রায়। আগে কোনওদিনও যা ঘটেনি, তা ঘটল এবার। দলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি বলে কথা। বিজেপির অন্যতম শীর্ষনেতা তিনি। দিল্লিতে তাঁকে সেভাবেই মর্যাদা ও সম্মান দিল বিজেপি। বুধবার বিমানবন্দরে নেমেই অবাক হয়ে যান মুকুল রায়!

মুকুল বিমানবন্দরে নেমে অবাক!
মুকুল রায় যখন বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লির বিমানবন্দরে নামলেন, তাঁর জন্য অপেক্ষায় বিজেপির দুই সাংসদ মনোজ তিওয়ারি ও রবি কিষাণ। ভোজপুরি সিনেমার দুই জনপ্রিয় অভিনেতা তাঁকে স্বাগত জানান। বিজেপির তরফে এই রাজকীয় সম্মানে অভিভূত তিনি। সেইসঙ্গে রীতিমতো অবাকও।

ফের প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠলেন মুকুল
বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হওয়ার পর এদিনই প্রথম দিল্লি গেলেন মুকুল রায়। তাঁর জন্য যে এমনই সম্মান অপেক্ষা করে আছে, তা জানতেন না। একটা সিদ্ধান্তেই ছবিটা বদলে গেল। জাতীয় রাজনীতিতে তিনি ফের প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠলেন তিনি। অদূর ভবিষ্যতে আরও বড় চমক থাকতে পারে তাঁর জন্য।

পাখির চোখ বঙ্গ বিজেপির বৈঠকে
বৃহস্পতিবার বঙ্গ বিজেপিতে বৈঠকে ডেকেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। সেই বৈঠকে যোগ দিতেই দিল্লিতে এলেন মুকুল রায়। এই বৈঠকে থাকার কথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র, সর্বভারতীয় সম্পাদক শিব প্রকাশ এবং অরবিন্দ মেননেরও। শেষোক্ত তিনজনেই বাংলার ভোটের দায়িত্বে রয়েছেন।

মুকুল রায়ই বসছেন কমিটির মাথায়!
এদিনের বৈঠকে বাংলার রণনীতি স্থির হবে। বাংলার ভোটের জন্য কমিটি গড়ে দেবে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। এই কমিটির নেতৃত্বে কে থাকেন, তা নিয়েই এখন জল্পনা তৈরি হয়েছে। মুকুল রায়ই এই কমিটির মাথায় থাকতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলের মনে করছে।

পদে না থেকেই কমিটির মাথায় ছিলেন
মুকুল রায়কে বাংলার নির্বাচনের দিকে তাকিয়েই এই বড় পদে অভিষিক্ত করা হয়েছে। ফলে তাঁকে বাংলার নির্বাচনের দায়িত্বে রাখা হবে তা প্রায় নিশ্চিত। এর আগে কোনও পদে না থাকেই বাংলার নির্বাচনে তাঁর নেতৃত্বেই কমিটি হয়েছিল। পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর লোকসভা নির্বাচনেও মুকুল রায় নির্বাচন কমিটির আহ্বায়ক পদে ছিলেন।

মুকুল পদাধিকারী হিসেবে কৈলাশেরও উপরে!
এবার আবার মুকুল রায় পদাধিকারী হিসেবে কৈলাশ বিজয়বর্গীয়রও উপরে। মুকুল রায় বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি আর কৈলাশ বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। মুকুল রায় এ ব্যাপারে বলেন, দল যা দায়িত্ব দেবে তা মাথা পেতে নেব। কারও নেতৃত্বে কাজ করতেই আমার কোনও আপত্তি নেই।

‘আমি আপ্লুত, এ মর্যাদা কোনওদিন ভুলব না’
মুকুল বলেন, দলের সভাপতি কাল ডেকেছেন বৈঠকে। এটুকুই শুধু জানি। তারপর দল যা দায়িত্ব দেবে, তা পূরণ করাই আশু কর্তব্য বলে মানব। তিনি বলেন, বিমানবন্দরে নেমে যে সংবর্ধনা পেয়েছি, তাতে আমি আপ্লুত, আর বেশি কিছু চাই না। যে মর্যাদা আমাকে দেওয়া হয়েছে, তা কোনওদিনও ভুলব না। সবথেকে বড় কথা মোদীজি, অমিতজি, নাড্ডাজি আমার উপর আস্থা রেখেছেন।












Click it and Unblock the Notifications