Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

MS swaminathan: এমএস স্বামীনাথন কে? সবুজ বিপ্লবের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কই বা কী?

ভারতবাসীর কাছে তিনি এমএস স্বামীনাথন নামে পরিচিত। পুরো নাম মানকম্বু সাম্বাসিভান স্বামীনাথন। তিনিই ভারতের সবুজ বিপ্লবের জনক ছিলেন। ২৮ সেপ্টেম্বর ৯৮ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি উচ্চফলনশীল জাতের ধান উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন। পাশাপাশি তিনি ভারতের নিম্ন আয়ের কৃষকদের আরও বেশি ফলন নিশ্চিত করতে সাহায্য করেছিলেন।

এমএস স্বামীনাথন তামিলনাড়ুর তাঞ্জাভুর জেলায় ১৯২৫ সালের ৭ অগাস্ট জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন কৃষিবিদ, কৃষিবিজ্ঞানী, উদ্ভিদ জিনতত্ত্ববিদ, প্রশাসক এবং মানবতাবাদী। ১৯৪৯ সালে তিনি আলু, গম, চাল, পাটের জেনেটিস্ক নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। দেশ সেই সময় ব্যাপক দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে। দেশে খাদ্য শস্যের অভাব দেখা দেয়। সেই সময় স্বামীনাথন এবং অন্য কৃষি বিজ্ঞানীরা উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ উদ্ভাবন করেন।

MS swaminathan

রাষ্ট্রসংঘের পরিবেশ কর্মসূচিতে তাঁকে অর্থনৈতিক পরিবেশের জনক বলে অভিহিক করা হয়। সবুজ বিল্পবের সাফল্যের জন্য তিনি ১৯৬০ ও ৭০-এর দশকে সি সুব্রামানিয়াম এবং জগজীবন রামের মতো কৃষিমন্ত্রীদের সঙ্গে কাজ করেছিলেন। উল্লেখযোগ্যভাবে সবুজ বিপ্লবে উচ্চফলনশীল বীজ ব্যবহারের ফলে খাদ্যশস্যের উৎপাদন বৃদ্ধি হয়।

২০০৭ সালে তাঁকে রাজ্যসভায় মনোনীত করা হয় এবং ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি তাঁর মেয়াদ পূর্ণ করেন। তাঁর মেয়াদে তিনি ভারতের মহিলা কৃষকদের স্বীকৃতির জন্য একটি বিল উত্থাপন করেছিলেন। তবে তা বাতিল হয়ে যায়।

ভারতে উচ্চফলনশীল ধান ও গমের উন্নয়ন ও প্রচারের জন্য তিনি ১৯৮৭ সালে প্রথম বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার লাভ করেন। এই স্বীকৃতির পরে তিনি চেন্নাইয়ের তারামণিতে এমএস স্বামীনাথন রিসার্চ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা করেন। এই ফাউন্ডেশন ভারতে কৃষক ও গ্রামীণ সম্প্রদায়েরক জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য টেকসই কৃষি এবং গ্রামীণ উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে কাজ করে চলেছে।

MS swaminathan

বিশ্বখাদ্য পুরস্কার ছাড়াও স্বামীনাথনকে ১৯৭১ সালে ম্যাগসেসে পুরস্কার দেওয়া হয়। ১৯৮৬ সালে তাঁকে অ্যালবার্ট আইনস্টাইন বিশ্ব বিজ্ঞান পুরস্কার , ১৯৯১ সালে টাইলার পুরস্কার দেওয়া হয়। এছাড়াও তাঁর ঝুলিতে রয়েছে অসংখ্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও পুরস্কার। দেশে বিভিন্ন সময়ে সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ ও পদ্মবিভূষণে ভূষিত করেছে। এছাড়াও তাঁকে লালবাহাদুর শাস্ত্রী পুরস্কার ও ইন্জিরা গান্ধী পুরস্কারও দেওয়া হয়েছে।

স্বামীনাথন বিভিন্ন দফতরে তাঁর মেয়াদকালে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৬১ সাল থেকে ১৯৭২ সাল পর্।ন্ত তিনি ইন্ডিয়ান এগ্রিকালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর এবং ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ এগ্রিকালচারাল রিসার্চের ডিরেক্টর ছিলেন। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত তিনি কৃষি গবেষণা ও শিক্ষা বিভাগে ভারত সরকারের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৯-১৯৮০ সাল কৃষিমন্ত্রকের সচিবের দায়িত্বও তিনি পালন করেন।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+