MPs in Manipur: সংসদে ‘লগজ্যাম’, মণিপুরে যাচ্ছেন ‘ইন্ডিয়া’ জোটের ২০ জন সাংসদ
বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা মণিপুর যাচ্ছেন সরেজমিনে ঘটনা খতিয়ে দেখতে। গত ২৯-৩০ জন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী দুদিনের মণিপুর সফর করেছিলেন। তার ঠিক এক মাস পরে বিরোধী জোটের ২০ জন সাংসদরা হিংসাকবলিত মণিপুর রাজ্যে যাচ্ছেন।
মণিপুরে জাতিগত হিংসা নিয়ে সংসদে অচলাবস্থা জারি হয়েছে। বিরোধী সাংসদরা কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছে সংসদে। এই পরিস্থিতিতে সংসদে বর্ষাকালীন অধিবেশনের মাঝেই বিরোধী ভারত ফ্রন্টের সাংসদরা মণিপুরের পরিস্থিতি সরেজমিনে মূল্যায়ন করতে শনিবার এবং রবিবার রাজ্যে যাবেন।

২৬ দলীয় জোটের ২০ জন বিরোধী সাংসদ মণিপুরে যাবেন বলে লোকসভায় কংগ্রেসের হুইপ মানিকম ঠাকুর বলেন। বিরোধী জোটের সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিনিধি দলে ২৬টি দলের প্রত্যেকের একজন করে সংসদ সদস্য বা তাদের প্রতিনিধি থাকবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
সাংসদরা রাজ্যের উপত্যকা এবং পার্বত্য অঞ্চলের পাশাপাশি কিছু ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করবেন। রাহুল গান্ধীর সফরের প্রথম দিনে ইম্ফল থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে বিষ্ণুপুরে তাঁর কনভয় থামানো হয়। তারপরে নাটকীয়ভাবে তিনি নিরাপত্তা কেয়ার না করেই চুরাচাঁদপুরের দিকে রওনা হন। পরে তাঁকে ইম্ফলে ফিরিয়ে এনে হেলিকপ্টারে করে পাঠানো হয় চুরাচাঁদপুরে।
রাহুল গান্ধী যে পথে যাত্রা করছিলেন,সেখানে মহিলা বিক্ষোভকারীদের একটি বড় দল ছিল বলে জানানো হয়েছিল। কংগ্রেস সূত্র অবশ্য জানায় রাহুল গান্ধীকে যেতে না দেওয়ার জন্য পুলিশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শামিল হযেছিলেন তাঁরা। রাহুল গান্ধী ফিরে যান তাঁরা চাননি। মহিলারা চেয়েছিলেন রাহুল গান্ধী তাঁদের গ্রামেও যান।
সফরের দ্বিতীয় দিনে রাহুল গান্ধী পোস্ট করেন, "মণিপুরে হিংসার কারণে যাঁরা প্রিয়জন এবং ঘরবাড়ি হারিয়েছেন তাঁদের দুর্দশা দেখতে এবং শুনতে তাঁর এখানে আসা। মণিপুরের প্রত্যেক ভাই, বোন এবং শিশুর সঙ্গে আমার দেখা করা জরুরি।"পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের একটি দলকে পাঠিয়েছিলেন।

২০ জুলাই বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরু হয় সংসদে। সংসদের উভয় কক্ষ বারবার মুলতবি করা হয়েছে মণিপুর ইস্যুতে। মণিপুরে হিংসা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনার পাশাপাশি বিরোধীদের দাবি ছিল প্রধানমন্ত্রীকে বিবৃতি দিতে হবে। কেন্দ্র তা প্রত্যাখ্যান করায় কংগ্রেসে অনাস্থা প্রস্তাব উত্থাপন করে। তেলেঙ্গানার শসাকএকই প্রস্তাব জারি করেছে।
এখানে উল্লেখ্য, মণিপুরে জাতিগত হিংসায় ১৪০ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। ৩০০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। ৩ মে থেকে শুরু হওয়া মেইতি ও কুকি সম্প্রদায়ের বিবাদ চরমে ওঠে। ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হন এই ঘটনা। মহিলাদের উপর অকথ্য অত্যাচার হয়। বিবস্ত্র করে রাস্তায় ঘোরানোর অভিযোগও ওঠে।












Click it and Unblock the Notifications