নতুন বছরে মুম্বইয়ে কত শতাংশ প্রবীণ নাগরিক কোভিডে মারা গেছেন, জানেন আপনি
নতুন বছরে মুম্বইয়ে কত শতাংশ প্রবীণ নাগরিক কোভিডে মারা গেছেন, জানেন আপনি
করোনা ভাইরাস নিয়ে বিশ্ববাসী যেন নাজেহাল। কখন খুব ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে করোনা গ্রাফ। সেই সঙ্গে বেড়েছিল মৃতের সংখ্যাও। তবে, এখন দেশের কোভিড গ্রাফ সামান্য নিম্নগামী। করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের সময় মুম্বইতে প্রবীণ নাগরিকরা এই ভাইরাসে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন। বিএমসি সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন বছর অর্থাৎ ২০২২ সালের শুরু থেকে মুম্বইতে ৩০৪ জন মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

৮৭ শতাংশ বৃদ্ধ মারা গেছেন
মুম্বইয়ের নাগরিক সংস্থার দেওয়া রিপোর্ট থেকে জানা গেল, যখন থেকে বিশ্বে করোনা ভাইরাস এসছে তখন থেকে প্রবীণ নাগরিকরা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে কড়া হয়েছে। ৬০ বছরের বেশি বয়সিরা বেশি আশঙ্কা জনক ছিলেন। ৩০৪ জন নাগরিকের মধ্যে প্রায় ৮৭ শতাংশ মানুষ মারা গেছেন বলে জানা গিয়েছে।

বিএমসি আধিকারিকরা কি জানালেন
বিএমসি আধিকারিকরা জানান, করোনার প্রথম ও দ্বিতীয় তরঙ্গে প্রবীণ নাগরিকরা সব থেকে বেশি আক্রান্ত হয়েছিলেন। তৃতীয় ঢেউতেও কিন্তু একই প্রভাব দেখা দিয়েছে। বেশি আক্রান্ত হয়েছেন প্রবীণ নাগরিকরা।

মৃতের হার কত?
কোভিডে প্রবীণ নাগরিকদের মৃত্যুর সংখ্যা ৮৭ শতাংশ এর জন্য দায়ী বলে মনে কড়া হয়। ৮৭ শতাংশ মানে ৩০৪ জনের মধ্যে ২৬৩ জন। ১০-১৯ বছর বয়সীদের মধ্যে চারটি মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। যার মধ্যে একজন করোনা আক্রান্তের বয়স ৯ বছর।

কর্মকর্তারা কী জানালেন
বিএমসির একজন আধিকারিক বলেন, যে সকল প্রবীণ নাগরিকরদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং উচ্চ রক্তচাপের মতন রোগে আক্রান্ত ছিলেন তাঁরা সব থেকে বেশি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। এগুলি ডেল্টা বা ওমিক্রনে আক্রান্ত নাও হতে পারেন । জানা গিয়েছে প্রবীণ নাগরিকদের মৃতের অনুপাত যথাক্রমে ৬৫ শতাংশ থেকে নেমে ৬০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

কোন বয়সে কত জন আক্রান্ত হয়েছেন
করোনায় সব থেকে বেশি মৃত্যু হয়েছে ৭০-৭৯ বছর বয়সী ব্যক্তিদের। জানা গিয়েছে ৫০ থেকে ৫৯ বছর বয়সীদের মধ্যে ১৯ জন মৃতের খবর পাওয়া গেছে। ৮০ থেকে ৮৯ বছড় বয়সীদের মধ্যে ৮২ জন মানুষ মারা গেছেন বলে জানা গিয়েছে। ৬০ থেকে ৬৯ বয়সীদের মধ্যে ৬৩ জন মারা গেছেন। ২৬ জন লোক মারা গেছেন ৯০ বছর বয়স যাদের বা তাঁর থেকে বেশি বছর বয়সীদের। জানুয়ারি মাসে প্রথম ৫ দিনের জন্য করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া মানুষের ৮৯ শতাংশের বয়স ৬০ বছরের বেশি।

মুম্বইয়ে আক্রান্ত বেশি প্রবীণ নাগরিকরা
যদিও এও জানা গিয়েছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ওমিক্রনের কারণে বৃদ্ধের মৃতের খবর পাওয়া গেছে। একদিনে মুম্বইতে ২৮৮ টি নতুন করোনা আক্রান্তের রিপোর্ট পাওয়া গেছে। তবে, ২১ ডিসেম্বর থেকে ১১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মুম্বইতে ২ লক্ষ ৮৬ হাজার ৪৩১ জন করোনা আক্রান্তের খবর পাওয়া গিয়েছিল। যার মধ্যে ৮০ শতাংশই ওমিক্রন আক্রান্ত বলে জানা গিয়েছে। রিপোর্ট পাওয়া গেছে জিনোমিক পরীক্ষা থেকে।
মুম্বইতে নতুন করে ২৮৮ টি নতুন কেসের খবর পাওয়া গেছে। পাশাপাশি একজনের মৃত্যুরও খবর পাওয়া গেছে। করোনা আক্রন্তের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ লক্ষ ৫৩ হাজার ১৩২ জনের। বর্তমানে ইতিবাচকতার হার ১ শতাংশের নীচে নেমেছে। ২০ ডিসেম্বরের পর থেকে সর্বনিম্ন আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। ১৯১ টি আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে।

মহারাষ্ট্রে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা কত
রবিবার মহারাষ্ট্রে ৩ হাজার ৫০২ টি কোভিডের পজিটিভ কেস দেখা গেছে। যা আগের দিনের তুলনায় ৮৫০ কম। মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩ হাজার ৯৮৬ জন করোনার রূপ ওমিক্রন আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। মুম্বইতে ১৭ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। মোট মৃতের সঙ্খায় দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৪৩ হাজার ৪০৪ জন। এখন মহারাষ্ট্রে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা দাড়িয়েছে ৪৫ হাজার ৯০৫।












Click it and Unblock the Notifications