মহারাষ্ট্রে করোনায় মৃতদের অধিকাংশই টিকাহীন! সমীক্ষায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
মহারাষ্ট্রে করোনায় টিকাহীন মৃত
গোটা বিশ্বের পাশাপাশি ভারতে হু হু করে বাড়ছে করোণা সংক্রমণ। মাঝেমধ্যে সংক্রমণের হার কম থাকলেও, দেশে করোনা গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। মৃত্যু হচ্ছে বহু মানুষের। কিন্তু এতকিছুর পরেও হুঁশ ফিরছে না সাধারণ মানুষের। রোজই রাস্তায় দেখা যাচ্ছে মাস্কহীন মানুষদের ঘোরাঘুরি। এমনকি সবরকম ভাবে করোনা নির্দেশিকা জারি থাকলেও পৌষ সংক্রান্তি আর মাঘ মেলা উপলক্ষে চূড়ান্ত অসচেতনতা লক্ষ করা গিয়েছে ভক্তদের মধ্যে। মাস্ক না পরার সঙ্গে সঙ্গে লোকজনের মধ্যে বরাবরই দেখা গিয়েছে করোনা টিকা না নেওয়ার প্রবণতাও। আর এরই পরিপ্রেক্ষিতে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য।

সমীক্ষায় প্রকাশিত তথ্য
ভারতে করোনা সংক্রমণের দিক থেকে প্রথম থেকেই শীর্ষ স্থানে রয়েছে মহারাষ্ট্র। দেশের মোট করোনা সংক্রমণের অধিকাংশই এই রাজ্য থেকে। সেখানে সম্প্রতি এক সমীক্ষায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, দেশে গত ৪৮ দিনে মহারাষ্ট্রে যত সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়েছে তার মধ্যে বেশিরভাগই টিকা নেননি। মহারাষ্ট্রের মেডিকেল এডুকেশন ও ড্রাগ ডিপার্টমেন্টের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে এই তথ্য।

টিকাহীন দের মৃত্যু
সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, গত ৪৮ দিনে করোনায় মত মানুষের মৃত্যু হয়েছে, তারমধ্যে ৬৮ শতাংশই করোনার একটি টীকাও নেননি। বাকি ৩২ শতাংশের মধ্যে কেউ একটি টাকা নিয়েছেন আবার কারোর কোমর্বিটি রয়েছে। মহারাষ্ট্রে ১ ডিসেম্বর থেকে ১৭ জানুয়ারী পর্যন্ত রাজ্যে পরিচালিত মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে ১৫১ জন কোভিড মৃত্যুর সমীক্ষাটি তৈরি করা হয়েছে।১৫১ জন রোগীর মধ্যে ১০২ জন করোনার কোনো টিকা পাননি। ৪৯ জন দুটি টিকা বা একটি টিকা পেয়েছেন।

গাফিলতিতে 'মহা'চিন্তা
সমীক্ষায় প্রকাশিত তথ্য যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলে মনে করছে মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্য দফতর। পাশাপাশি জানা যাচ্ছে, মহারাষ্ট্রে ১ ডিসেম্বর ২০২১ থেকে ১৭ জানুয়ারী ২০২২-এর মধ্যে ৮০৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এমনকি শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ার পর অনেকে হাসপাতালে আসছেন। মহারাষ্ট্রে ১ ডিসেম্বর থেকে ১৭ জানুয়ারীর মধ্যে ৮০৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি আরও যোগ করেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড আক্রান্ত হয়ে মৃতের একটি বড় অংশ আছে যাঁরা টিকা নেননি।

মহারাষ্ট্রে করোনা গ্রাফ
রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, গত ২৪ ঘন্টায় মহারাষ্ট্রে ৩১ হাজার ১১১ নতুন করোনভাইরাসের নতুন কেস হয়েছে। আগের দিনের তুলনায় ১০ হাজার ২১৬টি কম এবং ওই সময়ে ২৪ মৃত্যু হয়েছে। করোনার পাশাপাশি রাজ্যে ওমিক্রনের সংখ্যাও বাড়ছে বলে জানিয়েছে সেই রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।












Click it and Unblock the Notifications