শূন্য ভাঁড়ারে কমছে টিকাকরণের গতি, ভ্যাকসিনের অভাবে ধুঁকছে দেশের সিংহভাগ গ্রামীণ হাসপাতাল
ভ্যাকসিনের অভাবে ধুঁকছে দেশের সিংহভাগ গ্রামীণ হাসপাতাল
সময় থাকতে ব্যবস্থা না নেওয়ায় আজ তারই মাশুল গুনতে হচ্ছে গোটা দেশকে। এদিকে দিন যত গড়াচ্ছে দেশে ক্রমশ তীব্র আকার ধারণ করছে টিকা সঙ্কট। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে টিকা বণ্টনে রাজনীতির অভিযোগে সরব হয়েছে একের পর এক রাজ্য। এদিকে বড় হাসপাতালগুলি তাদের পরিকাঠামোর জোরে টিকার চাহিদা খানিক মেটাতে সক্ষম হলেও গ্রামীণ এলাকা ও ছেট হাসপাতালগুলিতে সঙ্কট বিশালাকার ধারণ করেছে। জারে নতুন করে আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন ছোট শহর, মফঃস্বল ও গ্রামীন এলাকার মানুষেরা।

এদিকে সূত্রের খবর, দ্বিতীয় দফা সরকারি লক্ষ্যমাত্রার ৩০ কোটি মানুষের মধ্যে মাত্র ৩ কোটিকে (২ কোটি ৯২ লক্ষ ৯ হাজার ৮৮৫ জন) এখনও পর্যন্ত করোনা টিকার ডাবল ডোজ দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এর ৬৬ লক্ষ ৭১ হাজার ৩৮৫ জন স্বাস্থ্যকর্মী, ৭৭ লক্ষ৫৫ হাজার ২৮৩ জন ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কার ও ১ কোটি ৪৯ লক্ষ ৩৩ হাজার ২১৭ জন সিনিয়র সিটিজেন রয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। যা লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ১০ শতাংশের আশেপাশে। অন্যদিকে কেন্দ্রের পরিসংখ্যান অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত দেশে সমস্ত পর্ব মিলিয়ে সামগ্রিক ভাবে ১৭ কোটি মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।
সরকারি তথ্যানুসারে ১ মে থেকে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বদের ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হলেও এরই মধ্যে ২০ লক্ষ মানুষ টিকা পেয়েছেন। সূত্রের খবরস দেশে এখনও ৫৫ কোটি মানুষ রয়েছেন যাঁদের করোনা ভ্যাকসিন দরকার। চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি টিকাকরণ শুরু হলে এখনও পর্যন্ত তা ১১৪ দিনে এসে ঠেকেছে। সঙ্কটের মধ্যেও আশার খবর এই যে ভারত বিশ্বের মধ্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার ক্ষেত্রে এখনও দ্রুততম দেশের তকমাই বহন করে নিয়ে চলেছে। কিন্তু ভারতের মতো বিশালাকার জনসংখ্যার দেশে এই তকমা নিয়েও মানসিক প্রশান্তির কোনও জায়গাই নেই বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।












Click it and Unblock the Notifications