২৪ ঘন্টায় সারা দেশে আক্রান্ত ৮০০-র বেশি! গত ৪ মাসের মধ্যে সব থেকে বেশি করোনা সংক্রমণ নিয়ে বেশ কিছু তথ্য
ভারতে ফের করোনা সংক্রমণের ঘটনা ক্রমবর্ধমান। গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্তের সংখ্যাটা ৮০০-র বেশি। যা গত চারমাসের মধ্যে সব থেকে বেশি। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নতুন করে ৮৪১ জনের সংক্রমণ করে বর্তমানে দেশে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যাটা পৌঁছে গিয়েছে ৫৩৮৯-এ।

আক্রান্তের সংখ্যা একমাসে বেড়েছে সাতগুণ
বর্তমানে ভারতে দৈনিক সংক্রমণ ছয়গুণ বেড়েছে। যেখানে ১৮ ফেব্রুয়ারি দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১১২, সেখানে ১৮ মার্চ সংখ্যাটা ৮৪১। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী কেরল, মহারাষ্ট্র, কর্নাটক এবং গুজরাতে আক্রান্তের সংখ্যাটা সব থেকে বেশি। শনিবার সকালের তথ্য অনুযায়ী সারা দেশে আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ৪,৪৬, ৯৪, ৩৪৯-এ।

২ রাজ্যে ২ জনের মৃত্যু
ঝাড়খণ্ড এবং মহারাষ্ট্র থেকে একজন করে আক্রান্তের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। মোট আক্রান্তের ০.০১ শতাংশ হল অ্যাক্টিভ কেস। অন্যদিকে সুস্থতার হার ৯৮.৮০ শতাংশ। এমনটাই জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের ওয়েবসাইট।
সারা দেশে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৪,৪১, ৫৮, ১৬১ জন। অন্যদিকে মৃত্যুর হার ১.১৯ শতাংশ। অন্য দিকে সারা দেশে ২২০.৬৪ কোটি ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রের তরফে রাজ্যগুলিকে চিঠি
বিভিন্ন রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির পরে কেন্দ্রের তরফে ছটি রাজ্যকে চিঠি দিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। এই ছয় রাজ্য হল মহারাষ্ট্র, গুজরাত, তেলেঙ্গানা, তামিলনাড়ু. কেরল ও কর্নাটক। এই ছটি রাজ্যের নটি জেলায় সংক্রমণের হার ১০ শতাংশের বেশি। এর মধ্যে উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড় রয়েছে সব থেকে আগে। সেখানে সংক্রমণের হার ৪০ শতাংশ। তারপরেই রয়েছে মধ্যপ্রদেশের রাতলামষ সেখানে সংক্রমণের হার প্রায় ১৮ শতাংশের মতো। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ রাজ্যগুলিকে চিঠি লিখে পরীক্ষার পাশাপাশি চিকিৎসা, ট্র্যাকিং এবং টিকাকরণের ওপরে জোর দিতে বলেছেন। এছাড়াও রাজ্যগুলিতে দেওয়া কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিবের চিঠিতে অবিলম্বে সংক্রমণ বৃদ্ধির বিষয়ে নজরদারি করার কথা বলেছেন।

লড়াই হারিয়ে যায়নি
চিনে ২০১৯-এর মধ্যবর্তী সময় থেকে করোনার সংক্রমণ শুরু। ভারতে ২০২০-র জানুয়ারি থেকে। প্রথম আক্রান্ত চিন ফেরত কেরলের এক যুবক। তারপর দেশের কোণায় কোণায় করোনা ছড়িয়ে পড়ে। ২০২০-র মার্চের শেষের দিকে সারা দেশে লকডাউন শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে লকডাউন তুলে নেওয়া হয়। করোনার সংক্রমণ বাড়লেই আর লকডাউন করা হয়নি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিবের চিঠিতে ছটি রাজ্যে স্থানীয় ভিত্তিতে সংক্রমণের কথা উঠে এসেছে। সেখানেই সংক্রমণে বাধা তৈরির কথা বলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব বলেছেন, করোনার বিরুদ্ধে লড়াই এখনও হারিয়ে যায়নি।












Click it and Unblock the Notifications