দেশে ভ্যাকসিনের গ্রাফ বাড়লেও, বিনামূল্যে দেওয়া ২১ কোটির বেশি ভ্যাকসিন এখনও অব্যবহৃত
বিনামূল্যে দেওয়া ২১ কোটির বেশি ভ্যাকসিন এখনও অব্যবহৃত
কেন্দ্র এখনও পর্যন্ত বিনামূল্যে চ্যানেলের মাধ্যমে ও সরাসরি রাজ্য সরবরাহের মাধ্যমে ১.২৯ বিলিয়ন কোভিড–১৯ ভ্যাকসিন ডোজ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে দিয়েছে। যার মধ্যে ২১ কোটি ৬৫ লক্ষ ভ্যাকসিন ডোজ ব্যবহৃত হয়নি এবং তা এখনও উপলব্ধ রয়েছে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে। শনিবার এই তথ্য জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে যে কেন্দ্রীয় সরকার ভারতের ভ্যাকসিন কভারেজ বাড়ানো এবং দেশের সুদূর প্রান্তে এর পরিধি প্রসারিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মন্ত্রক এক বিবৃতিতে বলেছে, 'কোভিড–১৯ টিকাদান অভিযানের সর্বজনীনীকরণের নতুন পর্বে কেন্দ্র সরকার সংগ্রহ ও সরবরাহ (বিনামূল্যে) করেছে ৭৫ শতাংশ ভ্যাকসিন, যা এ দেশের ভ্যাকসিন নির্মাতারা তৈরি করেছে।’ প্রসঙ্গত, করোনা ভাইরাসের টিকাকরণ কর্মসূচি ভ্যাকসিনের উপলব্ধতার ওপর বৃদ্ধি পায়। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভ্যাকসিনের উপলব্ধতা যত থাকবে টিকাদানের বৃদ্ধি তত বাড়বে। মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির অংশ হিসাবে কেন্দ্র সরকার বিনামূল্য কোভিড–১৯ ভ্যাকসিন সরবরাহ করে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে সহায়তা করবে।
এখানে উল্লেখ্য গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মোট ৫১,৫৯,৯৩১টি ভ্যাকসিন ডোজ দেওয়া হয়েছে দেশজুড়ে। এই নিয়ে মোট ভ্যাকসিন কভারেজের সংখ্যা দাঁড়ালো ১১৫.৭৯কোটি। অন্যদিকে, নিম্নমুখী দেশের কোভিড গ্রাফ। শনিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, বিগত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১০ হাজার ৩০২ জন। সুস্থ হয়েছেন ১১ হাজার ৭৮৭ জন। কোভিড মৃত্যু হয়েছে ২৬৭ জনের। বর্তমানে সক্রিয় কেসের সংখ্যা এক লাখ ২৪ হাজার ৮৬৮। যা ৫৩১ দিনে সর্বনিম্ন।স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, গত বছর মার্চের পর এই প্রথম এতটা কমল সক্রিয় কেসের সংখ্যা। তবে এখনও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে কেরালা। ওই রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন পাঁচ হাজার ৭৫৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৯ জনের। শুক্রবার দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন ১১ হাজার ১০৬ জন। বৃহস্পতিবার এই সংখ্যাটা ছিল ১১ হাজার ৯১৯। শুক্রবার সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন ১২ হাজার ৭৮৯ জন।












Click it and Unblock the Notifications