Morbi Bridge Collapse: দুর্ঘটনার দিন তিন হাজারের বেশি দেওয়া হয় টিকিট! তদন্তে ফাঁস চাঞ্চল্যকর তথ্য
গত মাসে হঠাত করেই মোরবিতে একটি ঝুলন্ত ব্রিজ ভেঙে পড়ে। আর সেই ঘটনায় অন্তত ১৩৫ জনের মৃত্যু হয়। কার্যত গুজরাট নির্বাচনের আগে এহেন ঘটনা ঘিরে রীতিমত অস্বস্তি পড়ে যায় বিজেপি। এমনকি কড়া ভাষায় মোদী-শাহকে আক্রমণ শানায় বিরোধীরা। য
Morbi Bridge Collapse: গত মাসে হঠাত করেই মোরবিতে একটি ঝুলন্ত ব্রিজ ভেঙে পড়ে। আর সেই ঘটনায় অন্তত ১৩৫ জনের মৃত্যু হয়। কার্যত গুজরাট নির্বাচনের আগে এহেন ঘটনা ঘিরে রীতিমত অস্বস্তি পড়ে যায় বিজেপি। এমনকি কড়া ভাষায় মোদী-শাহকে আক্রমণ শানায় বিরোধীরা। যদিও এই ঘটনার পরেই একবারে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।

আর তাতেই চাঞ্চল্যকর বেশ কিছু তথ্য উঠে এসেছে। শুধু তাই নয়, মেরামত এবং ব্যবস্থাপনায় বড়সড় একটা ত্রুটি সামনে এসেছে। এমনকি ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি (এফএসএল) এর প্রাথমিক তদন্তে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আনা হয়েছে। যেখানে ওরেভা গোষ্ঠী ও পুরসভার ভূমিকা নিয়েও একাধি প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি (এফএসএল) এর তদন্ত অনুযায়ী, নতুন ধাতুর মেঝে ব্রিজের ওজন বাড়িয়ে তুলেছে। এমনকি যাদের এই ব্রিজ মেরামতির দায়িত্ব দেওয়া হয় তাঁদের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে তদন্তে। ইতিমধ্যে এই ঘটনার তদন্তে বেশ কয়েকজন গ্রেফতার করা হয়েছে। সেই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে আজ ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি (এফএসএল) এর একটি তদন্ত রিপোর্ট আদালতের কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে।
আর সেখান থেকে তথ্য তুলে ধরেই আইনজীবী জানান, ব্রিজের যে তার ব্যবহার করা হয় তা সম্পূর্ণ ভাবে জং ধরে গেছিল। এমনকি কেবলের সঙ্গে ব্রিজকে আটকাতে যে পিন ব্যবহার করা হয় সেগুলিও ভেঙে পড়ে বলে জানা যাচ্ছে। এমনকি পিনগুলি হালকা লাগানো হয়েছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে। এমনকি তদন্তে আরও চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য সামনে এসেছে।
জানা যাচ্ছে, ঘটনার দিন অর্থাৎ ৩০ অক্টোবর ৩১৬৫টি টিকিট বিক্রি করা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, সেতুর দুদিনে টিকিট কাউন্টার থাকলেও অফিসগুলির সঙ্গে কোনও সমন্বয় ছিল না বলেও তদন্তে উঠে এসেছে। একটা সময়ের পর যখন টিকিট বিক্রি বন্ধ করে দেওয়ার দরকার ছিল সেই সময়েও টিকিট দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
ফলে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি লোক ওই ব্রিজে উঠে পড়ে বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। জানা যাচ্ছে, এক সঙ্গে ওই ব্রিজের বহন ক্ষমতা মাত্র ১২৫। কিন্ত্য অনেক বেশি একসঙ্গে লোক উঠে পড়াতেই এহেন বিপত্তি বলেও ফরেন্সিকের রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে বলে জানা যাচ্ছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, দীর্ঘ ১২ মাসের জন্যে বন্দ ছিল ব্রিটিশ আমলের ঝুলন্ত ব্রিজটি। নতুন করে সংস্কার করার কাজ চলছিল। আর সংস্কার শেষে চার মাসের মধ্যেই ব্রিজটি ভেঙে পড়ে। নির্বাচনের আগে সে রাজ্যে যা বিজেপির কাছে বড় ধাক্কা।












Click it and Unblock the Notifications