১ লা জুন পর্যন্ত প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস, ৫০ কিমি বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়াও
বর্ষার পরিবেশ ক্রমশ অনুকূল হচ্ছে। আগামী ২- ৩ দিনের মধ্যে ভারতের দক্ষিণ উপকূলবর্তী রাজ্য কেরলে বর্ষার প্রবেশ ঘটতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ১ জুন পর্যন্ত যে কেরল উপকূলে বৃষ্টি হবে, সে কথা জানানো হয়েছে মৌসম ভবনের তরফ
বর্ষার পরিবেশ ক্রমশ অনুকূল হচ্ছে। আগামী ২- ৩ দিনের মধ্যে ভারতের দক্ষিণ উপকূলবর্তী রাজ্য কেরলে বর্ষার প্রবেশ ঘটতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ১ জুন পর্যন্ত যে কেরল উপকূলে বৃষ্টি হবে, সে কথা জানানো হয়েছে মৌসম ভবনের তরফ থেকে।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, যা পরিবেশ তৈরি হয়েছে তাতে বর্ষা আসতে আর খুব বেশি দেরি নেই। আর কেরলে বর্ষা ঢোকা মাত্র বাংলার জন্যে স্বস্তির খবর। বাংলাতেও এর প্রভাব শুরু হয়ে যাবে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

ওই সময়েই বর্ষার প্রবেশ ঘটবে
আরব সাগর ও লাক্ষাদ্বীপ অঞ্চলেও ওই সময়েই বর্ষার প্রবেশ ঘটবে বলে মনে করা হচ্ছে। শনিবার বিকেলে আবহাওয়া দফতরের তরফে এই বার্তা দেওয়া হয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী পাঁচ দিন ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি হতে থাকবে। দক্ষিণ ভারতের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি ও বজ্রপাত হতে পারে কেরলে। মাহে ও লাক্ষাদ্বীপেও রয়েছে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা। অন্ধ্র প্রদেশ, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু, পুদুচেরিতেও বৃষ্টি হবে। ২৮ থেকে ১ জুন পর্যন্ত কোথাও কোথাও হতে পারে ভারী বৃষ্টি।

৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে বইবে হাওয়া।
শুধু বৃষ্টিই নয়, আবহাওয়ার রিপোর্ট বলছে, ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে বইবে হাওয়া। কেরল ও গুজরাটের উপকূলবর্তী অঞ্চলে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। কেরল ও গুজরাটের উপকূলে মৎস্যজীবীরা যাতে সমুদ্রে না যান, সে ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে। আর এরপরেই উপরক্ষীবাহিনীকেও অ্যালার্ট থাকতে বলা হয়েছে।

উত্তর-পূর্ব ভারতেও বৃষ্টির সতর্কতা
উত্তর-পূর্ব ভারতেও বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের হিমালয়ের নিকটবর্তী অংশ, সিকিমের বেশ কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। বজ্র-বিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি হবে বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশায়। এ ছাড়া পশ্চিমবঙ্গের গঙ্গা তীরবর্তী অঞ্চলেও হবে বৃষ্টি। আগামী পাঁচ দিন একই রকম আবহাওয়া থাকবে বলে জানানো হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ৩০ ও ৩১ মে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে। ১ জুন বৃষ্টি হবে অরুণাচল প্রদেশে। নাগাল্যান্ড, মনিপুর, মিজোরাম ও ত্রিপুরায় বৃষ্টি হবে ২৯, ৩১ মে ও ১ জুন।

বর্ষার দিকে তাকিয়ে বাংলা
তবে শনিবার সন্ধ্যায় প্রবল ঝড়- বৃষ্টি হয়েছে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায়। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি হয় শহরে। কলকাতা -সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় এই ছবি দেখা গিয়েছে। বিগত বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই সন্ধ্যার দিকে কালবৈশাখীর দাপট দেখা যাচ্ছে মাঝে মধ্যেই। এপ্রিল মে শুকনো কাটলেও আপাতত স্বস্তি পাচ্ছে গোটা রাজ্য। এই অবস্থায় আগামী ২৪ ঘন্টায় আরও ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে। শুধু তাই নয়, শহরবাসীকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে হাওয়া অফিস। তবে বৃষ্টি হলেও অস্বস্তি কাটছে না বাংলায়। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জায়গাতে গরম হাওয়া বইছে। এই অবস্থায় বর্ষার দিকেই তাকিয়ে সবপক্ষ।












Click it and Unblock the Notifications