Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Ram Mandir: রাম মন্দির আন্দোলনে 'হনুমানজির অবতার'! বাবরি মসজিদ থেকে আদালতে চমকপ্রদ উপস্থিতি 'বানর সেনা'র

Ram Mandir: রাম মন্দিরের উদ্বোধন হবে আগামীকাল। রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার প্রহর গোনার পালা চলছে। দেশ-বিদেশের অতিথি-অভ্যাগত থেকে ভক্তরা হাজির হয়েছেন অযোধ্যায়।

সেজে উঠেছে অযোধ্যা। কিন্তু জানেন কি, রাম মন্দির আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে 'বানর সেনা'-র। বাঁদরদের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উপস্থিতি দেখে হনুমানজির অবতারের উপস্থিতি মানতে কোনও দ্বিধা নেই ভক্তদের।

Ram Mandir: রাম মন্দির আন্দোলনে হনুমানজির অবতার!

১৯৯০ সালের ৩০ অক্টোবর। করসেবকদের আটকাতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার বন্দোবস্ত ছিল অযোধ্যায়। এক সাধুর সৌজন্যে ব্যারিকেড ভাঙতেই বাবরি মসজিদের দখল নিতে যান করসেবকরা। পুলিশ গুলি চালায়। বহু হতাহত। কিন্তু তারই মধ্যে অনেক করসেবককে দেখা গিয়েছিল বাবরি মসজিদের গম্বুজে উঠে পড়তে।

বাবরি মসজিদের একটি গম্বুজে গেরুয়া পতাকা লাগিয়ে দিয়েছিলেন করসেবকরা। তাঁদের হঠাতে উদ্যত হয় পুলিশ। তবে গেরুয়া পতাকা সরাতে গিয়ে এক অন্যরকম চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয় পুলিশকর্মীদের। দেখা যায়, ওই গেরুয়া পতাকা আগলে রেখেছে একটি বানর। যে ছবিটি পরের দিন সংবাদমাধ্যমে ফলাও করে ছাপা হয়েছিল।

করসেবকদের হঠালেও ওই পতাকা সরানোর সাহস দেখাননি পুলিশকর্মীরা। তাঁরাও বুঝেছিলেন, হনুমানজির অবতারই এই পতাকা রক্ষার দায়িত্বে। কয়েক ঘণ্টা সেখানে ঠায় বসে থাকার পর রাতের দিকে বানরটি সরে যায়। এরপর বাবরি মসজিদ থেকে পতাকাটি খুলে নিয়ে যান নিরাপত্তারক্ষীরা।

নব্বইয়ের সেই ঘটনার পর মন্দিরের জন্য করসেবা বন্ধ ছিল। এরপর ১৯৯২ সালে জুলাইয়ে তা শুরু হয়। তখন অযোধ্য়ায় কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। বাবরি মসজিদের দিকে কাউকে যেতেই দেওয়া হতো না। সেবারও মসজিদের মাঝের গম্বুজে একটি বানরকে বসে থাকতে দেখা গিয়েছিল। যাকে স্থানীয়রা বলতেন, হনুমানজির অবতার।

এখানেই শেষ নয়। কেএম পাণ্ডের আত্মজীবনীতেও রয়েছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। ফৈজাবাদ আদালতের এই বিচারক ১৯৮৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি নির্দেশ দেন, রামলালা দর্শনের জন্য বাবরি মসজিদের দরজা খুলে দিতে। যা পরে হাইকোর্ট খারিজ করে দেয়। তাঁর ওই রায়দানের সময় ঐশ্বরিক ক্ষমতার কথা উল্লেখ করেছেন পাণ্ডে।

'Voice of Conscience' নামক আত্মজীবনীতে তিনি লিখেছেন, যেদিন রায়দানের কথা ছিল সেদিন ফৈজাবাদ ও অযোধ্যা থেকে বহু মানুষ এসেছিলেন। আদালতের যে ঘরে রায় শোনানো হয় তার ছাদে দিনভর একটি কালো বানর বসে ছিল। তাকে অনেকেই চিনাবাদাম, ফল খেতে দিয়েছিলেন। কিন্তু বানর তা স্পর্শ করেনি।

বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে রায়দানের পর বানরটি সেখান থেকে চলে যায়। কড়া নিরাপত্তায় জেলাশাসক ও পুলিশের শীর্ষকর্তারা বিচারককে তাঁর বাংলো নিয়ে যান। অবাক কাণ্ড! সেই বাংলোর বারান্দাতেই বসে ছিল সেই বানরটি। যা দেখে বিচারক অবাক হননি। তিনি মনে করেন,ঈশ্বরিক শক্তি ছাড়া এমনটা হয় না।

সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ রাম মন্দির নিয়ে রায় ঘোষণা করেছিল ২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর। মামলাটি লড়েছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট তথা প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল কে পরাসারণ। তিনি জানিয়েছেন, রায়দান হয়েছিল শনিবার। তার পরের সোমবার দিল্লিতে তাঁর বাড়ির ছাদে ৩০-৪০টি বানর এসেছিল। রাত পৌনে ৯টায় একসঙ্গে এত বাঁদর! বাঁদরগুলি নিজেদের মধ্যে খেলছিল, লাফাচ্ছিল। এই আইনজীবীও মনে করেন, গোটা ঘটনায় শ্রী রামচন্দ্রের লীলাখেলাই রয়েছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+