৫১ শক্তিপীঠের মধ্যে একটি! সেই Ambaji মন্দিরেই প্রসাদ দেওয়া নিয়ে বিতর্ক
Ambaji Temple Prasad Row: গুজরাতের আম্বাজি মন্দিরের প্রসাদ ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে বিজেপি সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছে কংগ্রেস। গুজরাট প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি জগদীশ ঠাকুর এই ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে জনগণের অনুভূতি নিয়ে খেলার অভিযোগ করেছেন।

শুধু তাই নয়, শুধুমাত্র টাকা কামাতেই নাকি বিজেপি সরকার মন্দিরের পরম্পরা ভেঙে দিচ্ছে বলেও অভিযোগ। অন্যদিকে, বিজেপি শাসিত সে রাজ্যের কংগ্রেসের প্রদেশ সভাপতির দাবি, মোহনথাল প্রসাদ সবসময়ই অম্বাজি মন্দিরে দেওয়া হয়। যদিও অবিলম্বে পুরানো প্রসাদ ব্যবস্থা না ফিরিয়ে আনা হয় তাহলে রাজ্যব্যাপী আন্দোলনে নামা হবে। যদিও সরকার নয়া প্রসাদ ব্যবস্থাকে সমর্থন করেছে। নয়ায় চিক্কি প্রসাদ দীর্ঘদিন ধরে ঠিক থাকে।
এমনকি দীর্ঘদিন যদি বাইরে রাখা যায় তাহলে খারাপ হবে না। এমনকি অনলাইনেও প্রসাদ কেনা যাবে। শুধু কংগ্রেসই নয়, ঐতিহ্যশালী মন্দিরে শুখনো প্রদাদ দেওয়ার বিরুদ্ধে ইতিধ্যে আওয়াজ তুলেছে একাধিক হিন্দু সংগঠন। এই ইস্যুতে বিএচপি সহ একাধিক হিন্দু সংগঠন মন্দির কতৃপক্ষকে এই বিষয়ে ৪৮ ঘন্টার চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে৩।
অন্যদিকে, সরকারের মুখপাত্র মন্ত্রী হৃষিকেশ প্যাটেল বলেছেন, "আম্বাজিতে ভক্তদের অনুভূতির কথা মাথায় রেখে, আম্বাজি মন্দির ট্রাস্ট দ্বারা পুষ্টিকর এবং স্বাস্থ্যকর প্রসাদ দেওয়া হয়েছিল।"
বলে রাখা প্রয়োজন, আম্বাজি মন্দিরে এখনও পর্যন্ত ভক্তদের মোহনথাল অর্থাৎ বেসন-ঘি এবং চিনি দিয়ে তৈরি একপ্রকার মিষ্টি দেওয়ার পরম্পরা রয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরে এই প্রসাদ দেওয়ার যে রীতি তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে মন্দির কতৃপক্ষ চিক্কি অর্থাৎ মুগফলি গুড় দিয়ে তৈরি একপ্রকার মিষ্টি প্রসাদ হিসাবে দেওয়া হচ্ছে। সরকারের দাবি।, এই মিষ্টী দীর্ঘদিন ধরে ঠিক থাকবে। আর তা নিয়েই যাবতীয় বিতর্ক।
মন্দিরটি দেশের ৫১টি শক্তিপীঠের মধ্যে একটি। প্রায় ১২০০ বছরের পুরানো এই মন্দির। মন্দিরের পুনরুদ্ধারের কাজ 1975 সালে শুরু হয়েছিল এবং তারপর থেকে এটি অব্যাহত রয়েছে। এই মন্দিরে মায়ের কোনও প্রতিষ্ঠা নেই। শ্রীজন্ত্র রাখা রয়েছে সেখানে। মা অম্বেকে শুধুমাত্র এই শ্রীযন্ত্রের মাধ্যমেই দেখা সম্ভব হয়। কথিত আছে যে এই মন্দিরেই ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মুণ্ডনের অনুষ্ঠান করা হয়েছিল। যদিও এটি শুধুমাত্র একটা বিশ্বাস।
তবে এই মন্দিরে সারা বছরই কয়েক হাজার পূর্ণার্থী আসেন। দেশের বিভিন্ন থেকে মানুষ সেখানে যান।












Click it and Unblock the Notifications