ড্রোনের মাধ্যমে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে দেশে! বড় ঘোষণা মোদীরর
টিকা নিলেও করোনা সম্পূর্ণ রোধ করা সম্ভব হয় না ঠিকই। তবে, করোনা নিয়ন্ত্রনে ভ্যাকসিনই যে একমাত্র পথ, সে কথা বারবার বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই ভারতে করোনার টিকাকরণে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই ১০০ কোটি টিকাকরণের মাইল ফলক পা
টিকা নিলেও করোনা সম্পূর্ণ রোধ করা সম্ভব হয় না ঠিকই। তবে, করোনা নিয়ন্ত্রনে ভ্যাকসিনই যে একমাত্র পথ, সে কথা বারবার বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই ভারতে করোনার টিকাকরণে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই ১০০ কোটি টিকাকরণের মাইল ফলক পার করে ফেলেছে ভারত।
আজ, রবিবারের মন কি বাতে সেই টিকাকরণের কথাই শোনা গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মুখে।

ড্রোন ও ব্যবহার করা হচ্ছে
এদিন তিনি জানিয়েছেন, দ্রুত টীকাকরণের লক্ষ্যে ড্রোন ও ব্যবহার করা হচ্ছে। এদিন ৮২ তম মন কি বাতে মোদী জানান, ড্রোনের মাধ্যমে ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে দেশে। তিনি বলেন, ভারতের নতুন ড্রোনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভ্যাকসিন বিলি করা হচ্ছে। কৃষিকাজেও ব্য়বহার করা হচ্ছে ড্রোন। সম্প্রতি ১০০ কোটি টিকাকরণের লক্ষ্যমাত্রা পার করেছে ভারত। এরই মধ্যে গতকাল ভারতের টিকা প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলির সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই বৈঠকে ১০০ কোটি টিকাকরণের পিছনে সংস্থাগুলির যে অবদান রয়েছে, সে কথা উল্লেখ করেন মোদী। টিকা প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলির প্রশংসাও করেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশের ১ কোটি মানুষ টিকাপ্রাপ্ত
এবছরের বছরের ১৬ জানুয়ারি থেকে দেশে শুরু হয় করোনার গণটিকাকরণ কর্মসূচি। ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই দেশের ১ কোটি মানুষ টিকাপ্রাপ্ত হন। যে লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছিল, তার অর্ধেক পূরণ করতেই ৬ মাস সময় লেগে গিয়েছিল। এরপর যুদ্ধকালীন তৎপরতায় টিকাকরণ কর্মসূচি চালান স্বাস্থ্যকর্মীরা। এরই মধ্যে আছড়ে পড়ে দ্বিতীয় ঢেউ। তার মধ্যেও জারি ছিল টীকাকরণ কর্মসূচি। মাত্র সাড়ে চার মাসেই বাকি ৫০ কোটি টিকাকরণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হল। দেশের প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ৭৫ শতাংশই করোনা টিকার ন্যূনতম একটি ডোজ় পেয়েছে। এমনটাই জানানো হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে।

প্রত্যন্ত জায়গাতে পৌঁছে যাচ্ছে ড্রোন
এর মধ্যে নয়টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জনসংখ্যার যোগ্য ব্যক্তিদের সকলেই কোভিড টিকা পেয়েছেন। তবে ড্রোনের ব্যবহারে প্রত্যন্ত জায়গায়া আরও বেশি করে টিকা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে

ড্রোন পলিসির বড় ভূমিকা রয়েছে
ভারতের নতুন ড্রোন পলিসির বড় ভূমিকা রয়েছে এর পিছনে। কিছুদিন আগেই নতুন করে তৈরি করা হয়েছে ভারতের নয়া ড্রোন নীতি। ইতিমধ্যে তার খসড়াও তৈরি হয়ে গিয়েছে। বেশ কিছু ক্ষেত্রে বদল আনা হচ্ছে। নতুন ড্রোন নীতির খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিটি ড্রোনের একটি করে ইউনিক অথরাইজেশন নম্বর থাকতে হবে। এ ছাড়া থাকতে হবে ইউনিক প্রোটোটাইপ আইডেন্টিফিকেশন নম্বর, কনফরমেন্স সার্টিফিকেট, মেন্টেনেন্স সার্টিফিকেট ইত্যাদি। ইমপোর্ট ক্লিয়ারেন্স, অপারেটর পারমিট, স্টুডেন্ট রিপোর্ট পাইলট লাইসেন্স, ড্রোন পোর্ট অথরাইজেশন বাতিল করার কথা বলা হয়েছে নতুন নীতিতে।












Click it and Unblock the Notifications