ঐতিহাসিক ভুল শোধরাতেই নাগরিকত্ব আইনে সংশোধন আনা, দাবি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর
ঐতিহাসিক ভুল শোধরাতেই নাগরিকত্ব আইনে সংশোধনী আনা হয়েছে। এমনই দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
ঐতিহাসিক ভুল শোধরাতেই নাগরিকত্ব আইনে সংশোধনী আনা হয়েছে। এমনই দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেছেন প্রতিবেশি রাষ্ট্রের সংখ্যালঘুদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে সরকার। মোদীর অভিযোগ দেশভাগ হয়েছিল কাগজে কলমে কিন্তু অসংখ্য মানুষের উপর তার প্রভাব পড়েছিল। গান্ধীজি নিজেও প্রতিবেশি সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা প্রদানের পক্ষে ছিলেন। সেই ইচ্ছেই পূরণ করা হচ্ছে সিএএ-র মাধ্যমে।

সিএএ- সমর্থনে মোদী
সিএএ-র সমর্থনে আবারও প্রকাশ্যে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দিল্লিতে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোদী বলেছেন ঐতিহাসিক ভুল শোধরাতেই সিএএ এনেছে সরকার। গান্ধীজি প্রতিবেশি রাষ্ট্রের সংখ্যা লঘুদের সুরক্ষা প্রদানের পক্ষে ছিলেন। নেহরু-লিয়াকত চুক্তিতেও সেকথা লেখা ছিল। ভারত সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করছে সিএএ এনে।

বিরোধীদের আক্রমণ
সিএএ নিয়ে বিরোধীদের সরাসরি আক্রমণ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অভিযোগ করেছেন, কেবল মাত্র ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি করার জন্যই এই আইনের বিরোধিতা করছে বিরোধীরা। প্রতিবেশি রাষ্ট্রে সংখ্যালঘুদের উপর নৃশংসতা তাঁদের নজরে পড়ছে না। পাকিস্তানে দলিতদের উপর কী ধরণের নৃশংস অত্যাচার হয়ে থাকে সেটা তারা দেখছেন না। নিরুপায় হয়েই তাঁরা ভারতে এসে আশ্রয় নেন। মোদী অভিযোগ করেছেন যাঁরা সংবিধান নিয়ে এতো কথা বলছেন তাঁরা সংবিধাব আস্তাকুঁড়ে ছুড়ে ফেলতেও দ্বিধাবোধ করেননি।

ইউরোপীয় ইউনিয়নে সিএএ বিরোধী প্রস্তাব
এদিকে আন্তর্জাতিক মহলেও সিএএ নিয়ে চাপ বাড়ছে ভারতের উপর। সিএএ-র বিরোধিতায় সরব হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। প্রায় ৬টি সিএএ বিরোধী প্রস্তাব জমা পড়েছে ইউরোপীয় পার্লােমন্টে। তাতে লেখা হয়েছে ভারতের এই সিএএ বিশ্বের সবচেয়ে বড় নাগরিকত্ব সংকট তৈরি করবে।












Click it and Unblock the Notifications