'ঠিক বলেছ বন্ধু', কংগ্রেসের তরুণ তুর্কি মিলিন্দকে মোদীর টুইট ঘিরে রাজনৈতিক চাঞ্চল্য
'হাউডি মোদী' অনুষ্ঠান নিয়ে রীতিমতো উচ্ছ্বাস দেখা যায় মার্কিন মুলুকে। ভারত -মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে এই অনুষ্ঠান ঘিরে কার্যত কূটনৈতিকভাবে ট্রাম্পের দিকে তুরুপের তাস রেখে দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী।
'হাউডি মোদী' অনুষ্ঠান নিয়ে রীতিমতো উচ্ছ্বাস দেখা যায় মার্কিন মুলুকে। ভারত -মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে এই অনুষ্ঠান ঘিরে কার্যত কূটনৈতিকভাবে ট্রাম্পের দিকে তুরুপের তাস রেখে দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী। আর এই অনুষ্ঠান দেখে উচ্ছ্বসিত কংগ্রেস নেতা মিলিন্দ দেওরা। অনুষ্ঠানের পর তিনি তাঁর বাবা তথা মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুরলি দেওরার উদ্যোগে ভারত-মার্কিন সম্পর্ককে মজবুত করার চেষ্টার কথা নিজের টুইটে লেখেন।

ভারত-মার্কিন সম্পর্ক প্রসঙ্গে মিলিন্দ দেওয়া একটি টুইটে লেখেন, ভারতের নরম-গরম কূটনীতির জন্য প্রধানমন্ত্রীর হিউস্টনের ভাষণ অভূতপূর্ব ঘটনা। মিলিন্দ জানান, 'আমার বাবা মুরলিভাই ভারত-মার্কিন সম্পর্কের দৃঢ়তার প্রাথমিক কারিগর ছিলেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের আথিতেয়তা ও মার্কিন মুলুকে ভারতীয়দের অবদানের কথা স্বীকার করার ঘটনা আমাদের গর্বিত করে।'
Thank you @narendramodi ji!
— Milind Deora मिलिंद देवरा (@milinddeora) September 23, 2019
Murlibhai put nation first & worked with all governments in India & the US to deepen ties between our great countries.
In my many interactions with my Democrat & Republican friends, they, too, acknowledge India’s leadership in the 21st century https://t.co/AXbEb6ZDtK
মিলিন্দের এই টুইটের পরই , মোদী পরের টুইটে জানিয়ে দেন, ' তুমি এক্কেবারে সঠিক কাজ করেছ, আমার বন্ধু মুরলির অবদানের কথা তুলে.. ' । আর মোদীর এই পাল্টা টুইট নিয়েই আপাতত জাতীয় রাজনীতির অলিন্দে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর আগেও মিলিন্দ দেওরার মতো নেতাকে কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা ইস্যুতে পার্টি লাইনের বাইরে গিয়ে মোদী সমর্থন করতে দেখা গিয়েছে। তার আগে কংগ্রেসের সভাপতি পদ নিয়েও গান্ধি পরিবার নিয়ে মিলিন্দের পরোক্ষে আপত্তির প্রসঙ্গ রাজনীতির আঙিনায় এসে পড়েছে। এরপর মোদীর টুইট নিয়ে জল্পনা আরও চারগুণ বেড়ে গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications