নীতীশকে অভিনন্দন মোদীর, টুইট বার্তায় কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী
বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে নীতীশ কুমারের ইস্তফার পরই টুইট বার্তায় তাঁকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে নীতীশ কুমারের ইস্তফার পরই টুইট বার্তায় তাঁকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নরেন্দ্র মোদী নিজের টুইট বার্তায় লেখেন, ' দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামিল হওয়ায় নীতীশ কুমারকে অভিনন্দন। ১২৫ কোটি মানুষ তাঁর সঙ্গে রয়েছেন।'
भ्रष्टाचार के ख़िलाफ़ लड़ाई में जुड़ने के लिए नीतीश कुमार जी को बहुत-बहुत बधाई।
— Narendra Modi (@narendramodi) July 26, 2017
सवा सौ करोड़ नागरिक ईमानदारी का स्वागत और समर्थन कर रहे हैं
देश के, विशेष रूप से बिहार के उज्जवल भविष्य के लिए राजनीतिक मतभेदों से ऊपर उठकर भ्रष्टाचार के ख़िलाफ़ एक होकर लड़ना,आज देश और समय की माँग है
— Narendra Modi (@narendramodi) July 26, 2017
উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনে মোদীকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে নির্বাচিত করার জন্যই এনডিএ জোট ছেড়ে জেডিইউকে বার করে আনার মূল হোথা ছিলেন নীতীশ কুমার। ফলে সেসময়ে মোদীর সঙ্গে ভালোই রাজনৈতিক দূরত্ব তৈরি হয় নীতীশ কুমারের। এদিকে, নীতীশ কুমারের ইস্তফার সঙ্গে সঙ্গেই মোদীর এই টুইট বার্তায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ খুঁজে পাচ্ছেন অনেকে।

বহুদিন ধরেই বিহারের রাজনীতিতে লালুপ্রসাদের আরজেডির সঙ্গে নীতীশের জেডিইউ-এর সম্পর্ক খুব একটা ভালো চলছিলনা। এর অন্যতম প্রধার কারণ হল, বেনামী সম্পত্তির দুর্নীতি মামলায় লালু সহ সিবিআইয়ের জালে চলে আসেন লালুর পরিবারও। নাম জড়ায় নীতীশ সরকারের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা লালু পুত্র তেজস্বী যাদবের। যে বিষয়টি রীতীমত অস্বস্তিতে ফেলে রাজনীতিতে 'ক্লিন ইমেজ' নিয়ে চলা নীতীশ কুমারকে।
ক্রমেই তিনি বুঝতে পারেন যে লালুপ্রসাদের সঙ্গে জড়িত দুর্নীতির ছায়া নিয়ে চলা কঠিন । তাঁর দলের ভোট ব্যাঙ্কের নিরিখে বিষয়টির প্রভাব পড়ার আঁচ করতে পারেন নীতীশ। এমন এঅক পরিস্থিতিতে তেজস্বীর দেহরক্ষীরা যেভাবে সংবাদমাধ্যমের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে, তা নীতীশ সরকারের ভাবমূর্তিকে ক্ষুন্ন করে। ফলে সবমিলিয়ে, আরজেডি ও জেডিইউ ভাঙন যে নিশ্চিত তা দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হতে থাকে। এদিকে, বিজেপির তরফ থেকেও খোলাখুলি বলা হয়, আরজেডিকে ছেড়ে নীতীশ সরকার রড়তে চাইলে তাতে সমর্থন যোগানো হবে। এরইমধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নীতীশের বিজেপি ঘেঁসা চালে রামনাথ কোবিন্দকে সমর্থন করা, আগুনে ঘি ঢালার সামিল হয়।
তবে এই সমস্ত কিছুর মধ্যেই কংগ্রেসের বার বার মধ্যস্থতা আটকে রেখেছিল আরজেডি-জেডিইউ জোটের ভাঙনকে। তবে সেই মধ্যস্থতাও আর কাজে এলনা। শেষমেশ জোট ভোঙে গেল। ফলে এরকম এক পরিস্থিতিতে মোদীর টুইট বার্তার পর, বিহারের রাজনীতি কোন পথে এগোয় তা দেখার অপেক্ষায় জাতীয় রাজনীতি।












Click it and Unblock the Notifications