কোভিড থেকে শিক্ষা! রোগের ওপর নজরদারিতে ওয়ান হেলথ মিশনের পথে মোদী সরকার
মাঝে মধ্যেই কোভিডের নতুন স্ট্রেন সমস্যা তৈরি করলেও, তা সারা দেশে গত বছরের মে-জুনের মতো নয়। অক্সিজেন আর হাসপাতালের বেডের জন্য হাহাকার পড়ে গিয়েছিল চারিদিকে। সেই পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাই মান
মাঝে মধ্যেই কোভিডের নতুন স্ট্রেন সমস্যা তৈরি করলেও, তা সারা দেশে গত বছরের মে-জুনের মতো নয়। অক্সিজেন আর হাসপাতালের বেডের জন্য হাহাকার পড়ে গিয়েছিল চারিদিকে। সেই পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাই মানুষই হোক কিংবা পশু কিংবা বন্য জন্তু, রোগের নজরদারির জন্য মোদী সরকার ওয়ান হেলথ মিশন শুরু করতে চলেছে।

তৈরি করা হয়েছে প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইউনিট
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টার অফিসে এব্যাপারে প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইউনিট তৈরি করা হচ্ছে। এব্যাপারে ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠনকেও সামিল করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের রূপায়ণে কেন্দ্রের ছয় মন্ত্রীকে রেখে ক্রস মিনিস্টেরিয়াল ওয়ান হেলথ অ্যাকশন গ্রুপ এবং ওয়ান হেলথখ স্টিয়ারিং কমিটি তৈরি করা হয়েছে।

ওয়ান হেলথ মিশনে কেন্দ্রের যেসব মন্ত্রক থাকছে
কেন্দ্রের উচ্চাকাঙ্খী ওয়ান হেলথ মিশনে যেসব মন্ত্রক থাকছে তার মধ্যে রয়েছে, মিনিস্ট্রি অফ এনভায়রনমেন্ট, ডিপার্টমেন্ট অফ অ্যানিম্যাল হাসবানড্রি, ডিপার্টমেন্ট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল, ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্ড, ডিপার্টমেন্ট অফ বায়োটেকনোলজি, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ এগ্রিকালচারাল রিসার্চ। এছাড়াও রাজ্য সরকারগুলিকে এই মিশনের অংশীদার করা হয়েছে।

আরও বেশি নজরদারি ও রোগের ওপরে নিয়ন্ত্রণ
সরকারের তরফ থেকে যে দল বা গোষ্ঠী গঠন করা হয়েছে, তা রোগকে গুরুত্ব দিয়ে তার ওপরে নজরদারি চালিয়ে রোগের নিয়ন্ত্রণে আরও বেশি ভূমিকা গ্রহণ করবে। এছাড়াও এর মধ্যে থাকছে মহামারির মোকাবিলা সবসময় তৈরি রাখার বিষয়টিও। এর মধ্যে শুধু মানুষের রোগই নয়। পশুর রোগও থাকছে। এই দল বা গোষ্ঠী এব্যাপারে বিশ্বের পরিস্থিতিও খতিয়ে দেখবে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা জানতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এক্সপার্টদের মতামত নেবে।

যুক্ত করা হবে ব্যবসায়িক এবং শিল্প সংস্থাকেও
এব্যাপারে ব্যবসায়িক এবং শিল্প সংস্থাকে যুক্ত করার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করা হয়েছে। ওয়ান হেলথ মিশন হল এমন একটি বিষয়, যেখানে অতিমারীর মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। প্রযুক্তি ছাড়াও নীতিগত বিষয়ও রাখা হচ্ছে। সর্বোপরি মানুষ ছাড়াও পশু এবং বন্য জন্তুদের কথা মাথায় রেথে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টার অফিসকে এব্যাপারে সমন্বয়ের জন্য রাখা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নতুন মুখ্য বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা অজয় সুদের অধীনে পুরো বিষয়টিরে রাখা হয়েছে।

আগেই সুপারিশ
এখন বিষয়টির কথা সবার সামনে আসলেও, এব্যাপার গত ৭ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবন উপদেষ্টা পরিষদ ওয়ান হেলথ মিশনের প্রস্তাব করেছিল। তবে কোভিড পরবর্তী সময়ে এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিতর্কও তৈরি হয়।












Click it and Unblock the Notifications