কাশ্মীর উপত্যকা থেকে পর্যায়ক্রমে সেনা প্রত্যাহার! কীভাবে হবে জঙ্গি দমন অভিযান, একনজরে পরিকল্পনা

কাশ্মীরের পরিস্থিতি আগের থেকে ভাল। সেখানে জঙ্গি কার্যকলাপ কমেছে ৫০ শতাংশের মতো। এমনটাই দাবি কেন্দ্রের। সেই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে কাশ্মীর উপত্যকা থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের পরিকল্পনা।

পরপর দ্বিতীয়বারের জন্য ২০১৯-এ ক্ষমতা দখল করেই বিজেপি কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে নেয়। বর্তমানে সেখানকার পরিস্থিতি সেই সময়ের থেকে অনেকটাই উন্নত হয়েছে। এবার সেই কাশ্মীর থেকেই ভারতীয় সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা। এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বিষয়টি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, সশস্ত্র বাহিনী এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।

শুধুমাত্র নিয়ন্ত্রণ রেখায় সেনা

শুধুমাত্র নিয়ন্ত্রণ রেখায় সেনা

যদি কেন্দ্রীয় সরকার এই পরিকল্পনায় অনুমোদন দেয়, তাহলে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে শুধুমাত্র নিয়ন্ত্রণ রেখায় সেনাবাহিনী থাকবে। ভারতীয় সেনাকে কাশ্মীরের নিরাপত্তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে সেখানে সিআরপিএফকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। তাদেরকে দিয়েই আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হবে।

 সিদ্ধান্তটি হবে সরকারের রাজনৈতিক অবস্থান

সিদ্ধান্তটি হবে সরকারের রাজনৈতিক অবস্থান

জম্মু ও কাশ্মীর বর্তমানে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, সেখানে নির্বাচন কমিশন বিধানসভা নির্বাচন পরিচালনা করবে। তারপরেই জম্মু ও কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা। কাশ্মীর থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি এই মুহূর্তে বিভিন্ন মন্ত্রকের মধ্যে আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। তবে এটি একটি সম্ভাব্য পদক্ষেপ বলে জানাচ্ছেন, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিরাপত্তা আধিকারিকরা। বিষয়টি নিয়ে একরকমের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গেলেও, কখন তার প্রয়োগ করা হয়, এখন তারই অপেক্ষা, বলছেন কেউ কেউ। তবে আর যাই হোক সেই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি রাজনৈতিক হবে বলেও মনে করছে সেখানকার রাজনৈতিক মহল।

সেনা প্রত্যাহার কীভাবে

সেনা প্রত্যাহার কীভাবে

এই মুহূর্তে শুধুমাত্র জম্মু-কাশ্মীর পুলিশকে দিয়ে কাশ্মীর থেকে সেনাবাহিনীকে প্রত্যাহার করা হচ্ছে না। সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের সময় তা করা হবে সিআরপিএফ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশকে দিয়ে। এমনটাই খবর প্রকাশিত হয়েছে এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে। সেখানে আরও বলা হয়েছে, উপত্যকার দায়িত্বে থাকা সেনাবাহিনীর রাষ্ট্রীয় রাইফেলস তিনটি ভাগে তুলে নেওয়া হবে। সিআরপিএফকে দিয়ে তাদের আংশিক প্রত্যাহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে এই পরিকল্পনায় রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের সদস্য সংখ্যা হ্রাস করা হবে, তাদেরকে একেবারে প্রত্যাহার করা হবে না।

 বর্তমানে কাশ্মীরে সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানের দায়িত্বে রাষ্ট্রীয় রাইফেলস

বর্তমানে কাশ্মীরে সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানের দায়িত্বে রাষ্ট্রীয় রাইফেলস

আটের দশকের শেষের দিক থেকে জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গি কার্যকলাপ বৃদ্ধি পায়। তারই মোকাবিলায় সেই সময় অর্থাৎ ১৯৯০ সালে তৈরি করা হয় রাষ্ট্রীয় রাইফেলস। তখন থেকেই জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গি কার্যকলাপ দমনে নেতৃত্বে দিচ্ছে রাষ্ট্রীয় রাইফেলস। তবে ২০০৫ সাল থেকে শ্রীনগরে জঙ্গি দমন অভিযান পরিচালনা করে সিআরপিএফ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। এরপর ২০১৯-এ কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের সময় সেখানে প্রচুর সংখ্যায় সেনা ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+