করোনা মোকাবিলার জনপ্রিয়তায় আমেরিকা-ব্রিটেনকে পিছনে ফেললেন মোদী, প্রশংসায় পঞ্চমুখ দেশবাসী
করোনা মোকাবিলার জনপ্রিয়তায় আমেরিকা-ব্রিটেনকে পিছনে ফেললেন মোদী, প্রশংসায় পঞ্চমুখ দেশবাসী
করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় লকডাউন বাড়িয়েছে মোদী সরকার। এই পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের অনাহারে দিন কাটানোর খবর আসতে শুরু করেছে। প্রথম দফার লকডাউনে গরিব কল্যাণ প্রকল্পে ১৭০ হাজার কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করেছিল মোদী সরকার। তারপরের দফায় যদিও আলাদা করে কিছু ঘোষণা করা হয়নি। কিন্তু সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে দেশের ৮২ শতাংশ মানুষ মোদী সরকারের পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন।

মোদীর পদক্ষেপের প্রশংসা
করোনা লকডাউনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন দেশবাসী। একটি আন্তর্জাতিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে ভারতের ৮২ শতাংশ মানুষ লকডাউনে কেন্দ্রীয় সরকারের পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। লকডাউন চলাকালীন দেশের গরিব মানুষের জন্য সবরকম পদক্ষেপ করেছে মোদী সরকার। ১৭০ হাজার কোটি টাকার গরিব কল্যাণ প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। তাতে গরিবমানুষকে তিন মাসের খাবার বিনামূল্যে দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া মধ্যবিত্ত চাকুরিজীবিদেরও একাধিক ক্ষেত্রে সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ক্ষুদ্র এবং মাঝারি ব্যবসায়ীদেরও বেশ কিছু সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সমীক্ষা
আন্তর্জাতিক স্তরে করোনা বিধ্বস্ত বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের এই সমীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। তাতে দেখা গিয়েছে এই পরিস্থিতিতে মোদী সরকারের জনপ্রিয়তা অন্যান্য দেশের থেকে অনেক বেশি। ব্রিটেনে মাত্র ৪৪ শতাংশ মানুষ সরকারের কাজে খুশি। ট্রাম্প সরকারৈের উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মাত্র ৬৭ শতাংশ নাগরিক। অন্যদিকে হংকং সরকারের ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মাত্র ৪৫ শতাংশ নাগরিক।

ভবিষ্যতের চিন্তা ভাবাচ্ছে বেশি ভারতকে
মোদী সরকার একদিক দিয়ে জনপ্রিয়তা পেলেও দেশবাসীকে নিশ্চয়তা দিতে পারেনি। সমীক্ষায় উঠে এসেছে সেই অপ্রিয় সত্য। দেখা গিয়েছে ভারতের ৮৬ শতাংশ নাগরিক করোনা পরবর্তী ভবিষ্যত নিয়ে আতঙ্কিত। তারপরেই রয়েছে হংকং। ৭১ শতাংশ হংকংয়ের নাগরিক তাঁদের ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন। অপেক্ষাকৃত কম চিন্তিত মার্কিনিরা। আমেরিকায় মৃত্যু মিছিল চললেও মাত্র ৫১ শতাংশ মার্কিনি তাঁদের ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। অস্ট্রেলীয়রা আবার অপেক্ষাকৃত নিশ্চিন্তেই রয়েছে মাত্র ৩৯ শতাংশ নাগরিক তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন। আর ব্রিেটনের মাত্র ৩৮ শতাংশ মানুষ তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা প্রকাশ করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications