Chhawla Rape Case: ছাওলা ধর্ষণ মামলায় রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি! সুপ্রিম কোর্টে আবেদন মোদী সরকারের
ছাওলা ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় রায় পুনর্বিবেচনার জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন মোদী সরকারের। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের মাধ্যমে দিল্লি পুলিশ এব্যাপারে পর্যালোচনা-শুনানির আবেদন করেছে। প্রসঙ্গত ১৯ বছর বয়সী এক যুবতীকে ধর্ষণ ও হত্যা
ছাওলা ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় রায় পুনর্বিবেচনার জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন মোদী সরকারের। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের মাধ্যমে দিল্লি পুলিশ এব্যাপারে পর্যালোচনা-শুনানির আবেদন করেছে। প্রসঙ্গত ১৯ বছর বয়সী এক যুবতীকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত তিনজন মুক্তি দিয়েছে আদালত। উল্লেখ্য যে এই সপ্তাহের শুরুতে এই যুবতীর বাবা-মা তিন অভিযুক্তের মুক্তির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে রিভিউ পিটিশন দাখিল করেছেন।

২০১২ সালের ফেব্রুয়ারিতে দিল্লির ছাওলা এলাকায় ওই যুবতীকে অপহরণ, গণধর্ষণ এবং নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। অপহরণের তিনদিন পরে ওই যুবতীর বিকৃত দেহ পাওয়া যায়। এই ঘটনায় পুলিশের তরফে তিনজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল।
ট্রায়াল কোর্ট ২০১৪ সালে এই মামলাকে বিরলের মধ্যে বিরলতম বলে মন্তব্য করে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে। কিন্তু অভিযুক্তরা তাদের ন্যায্য বিচারের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছিল-এই অবস্থানের ওপরে সুপ্রিম কোর্ট গত মাসের ৭ নভেম্বর তিনজনকে বেকসুর খালাস করে দেয়।
কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বুধবার সুপ্রিম কোর্টে রিভিউ পিটিশন দাখিল করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে মেডিক্যাল এভিডেন্স ও সায়েন্টিফিক রিপোর্ট অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দোষ প্রমাণ করে। কেন্দ্রের তরফে দায়ের করা আবেদনে বলা হয়েছে, আদালত মেডিক্যাল এবং সায়েন্টিফিক এভিডেন্স প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে, যা অভিযুক্তের অপরাধ প্রমাণের জন্য যথেষ্ট। সেখানে আরও বলা হয়েছে, এখনও পর্যন্ত যা প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে, তা অভিযুক্তের অপরাধ প্রমাণে যথেষ্ট। যেসব প্রমাণ রয়েছে, তা থেকে বলাই যায় ঠাণ্ডা মাথায় জঘন্য অপরাধ সংগঠিত করা হয়েছিল।
কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছে, বায়োলজিক্যাল এগজামিনেশন এবং ডিএনএ প্রোফাইলিং রিপোর্ট থেকেই প্রমাণ যে তা নয়াদিল্লির সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছিল। পিটিশনে আরও বলা হয়েছে, পোস্টমর্টেমের রিপোর্টে যে আঘাতগুলি পাওয়া গিয়েছে, সেখান থেকে পরিষ্কার মৃত্যুর পরেও দেহ নৃশংসতার শিকার হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications