মোদী সরকারের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, সারে ভর্তুকির পরিমাণ বাড়ল ১৪০ শতাংশ
করোনার করুণ পরিস্থিতিতে যেখানে বহু মানুষের কর্মহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকছে, সেখানে মানুষ স্বাস্থ্যের পাশাপশি কর্মসংস্থানের জ্বালায় হাহাকার করছেন। এদিকে, যে পরিবারে চাষাবাদের ওপর ভিত্তি করে জীবিকা নির্বাহ করা হয়, সেই পরিবারেও জ্বালানির দামের বৃদ্ধি প্রভাব ফেলছে। প্রভাব ফেলছে করোনার জেরে সংকটের মুহূর্ত। এমন অবস্থায় ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল মোদী সরকার।

মোদী সরকারের সিদ্ধান্ত
তরফে ঐতিহাসিক পদক্ষেপে সামিল হয়ে, সারের দামের ওপর ভর্তুকির পরিমাণ ১৪০ শতাংশ বাড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হল। প্রসঙ্গত, আন্তর্জতিক বাজারে সারের দামের অঙ্ক বেড়েছে। তবে করোনার করুণ পরিস্থিতিতে যাতে তার আঁচ দেশের চাষিদের ওপর না পড়ে , সেদিকে তাকিয়েই মোদী সরকারের এমন সিদ্ধান্ত।

প্রধানমন্ত্র্রী নির্দেশ
প্রধানমন্ত্রী এদিন নির্দেশে সাফ জানিয়েছেন, যে সারের বর্ধিত দামের অংশের পুরোটাই কেন্দ্র বহন করবে। ফলে তার হাত ধরে দরিদ্র চাষাবাদ ভিত্তিক পরিবারগুলির ওপর থেকে সরে যেতে পারে মূল্যবৃদ্ধির বোঝা।

উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক
এর আগে বুধবার সারের দামে ভর্তুকির বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠক শেষ হতেই প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় জানিয়ে দিয়েছে সারের দামে ভর্তুকির ঘোষণার কথা। বর্তমানে প্রতি বস্তা অ্যামোনিয়াম ফসফেটের বজার মূল্য ১৭০০০ টাকা। কেন্দ্র এতে ভর্তুকি দেয় বস্তা প্রতি ৫০০ টাকা। এবার সেখান থেকে বস্তা প্রতি ভর্তুকি দেবে কেন্দ্র ১২০০ টাকা।

পূর্ববর্তী সরকার ও সারের দাম
এর আগে মনমোহন সরকারের আমলে ইউরিয়া সারের দাম নিয়ন্ত্রণের পথে হেঁটেছিল সরকার। বহু দেশ সেই সময় দাবি করে যে , এই দামে ভর্তুকি দিয়ে প্রতিযোগিতার বাজার নষ্ট হচ্ছে। ডাব্লিউটিওতে এই নিয়ে সরব হয় বহু দেশ। তবে দেশের আর্থ সামাজিক ও বিশেষত রাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকে খেয়াল রেখে সেবিষয়ে খুব একটা আমল দেয়নি সরকার।












Click it and Unblock the Notifications