নজরে গুজরাত ভোট, সিএএ নিয়ে বাড়তি সতর্ক মোদী সরকার, নাগরিকত্ব আইন গঠনের মেয়াদ বাড়ল
নজরে গুজরাত ভোট, সিএএ নিয়ে বাড়তি সতর্ক মোদী সরকার, নাগরিকত্ব আইন গঠনের মেয়াদ বাড়ল
সামনেই গুজরাতের বিধানসভা ভোট। রয়েছে হিমাচল প্রদেশের বিধানসভা ভোট। তাই এখনই সিএএ আইন কার্যকরের ঝুঁকি নিতে চাইছে না মোদী সরকার। আবার সিএএ আইন গঠনের সময়সীমা বাড়াল মোদী সরকার। পার্লামেন্টারি কমিটি এই আইন গঠনের আরও সময় দিয়েছে। ইতিমধ্যেই সাতবার অতিরিক্ত সময় নিল মোদী সরকার।

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে এখনই নির্ভয় হতে পারছে না মোদী সরকার। তাই বারবার নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন গঠনের সময় পিছিয়ে যাচ্ছে তারা। এই িনয়ে সপ্তমবার মোদী সরকারের পার্লামেন্টারি কমিটি সিএএ আইন গঠনের প্রক্রিয়ার সময় বাড়াল। মোদী সরকার ২০১৯ সালে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাস করেছিল। তার প্রতিবাদে উত্তাল হয়েছিল গোটা দেশে। ২০১৪ সাল পর্যন্ত যাঁরা পাকিস্তান, আফগানিস্তান সহ একাধিক দেশ থেকে ভারতে এসেছেন এমন হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিশ্চান, জৈন, শিখদের নাগরিকত্ব প্রদান করা হবে বলে আইনে উল্লেখ করা হয়েছিল।
তার প্রতিবাদে গোটা দেশ উত্তাল হয়ে উঠেছিল। শাহিনবাগে ১ বছর ধরে চলে আন্দোলন। গোটা দেশে একাধিক জায়গায় এই নিয়ে আন্দোলন শুরু হয়েছিল। বিশেষ করে উত্তর পূর্বের রাজ্যে উত্তেজনা চরমে ওঠে। সেই বিক্ষোভের আগুন কমলেও একেবারে যে নিভে যায়নি সেটা স্পষ্ট মোদী সরকারের কাছে। সেকারণে আইন পাশ করার পরে তার গঠন প্রক্রিয়া এখনও শুরু করতে পারেনি মোদী সরকার। বারবরই পিছিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই আইন গঠনের শেষ সময়সীমা দেওয়া ছিল। সেটা বাড়িয়ে ২০২৩ সালের ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে।
মনে করা হচ্ছে গুজরাত এবং হিমাচল প্রদেশের ভোটের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত মোদী সরকার নিয়েছে বলে মনে করছে বিরোধীরা। ইতিমধ্যেই হিমাচল প্রদেশে ভোটার তালিকা প্রকাশ করে ফেলেছে বিজেপি-কংগ্রেস। কাজেই বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতি চরমে। সেকারণেই সিএএ কার্যকর করে এখনই ভোট ব্যাঙ্কে ঝুঁকি নিতে চাইছে না মোদী সরকার।












Click it and Unblock the Notifications