ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট মোকাবিলায় আরও এক নতুন ভ্যাকসিনকে অনুমোদন কেন্দ্রের, ছাড়পত্র পেল জাইকোভ-ডি
ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট মোকাবিলায় আরও এক নতুন ভ্যাকসিনকে অনুমোদন কেন্দ্রের, ছাড়পত্র পেল জাইকোভ-ডি
চোখ রাঙাচ্ছে করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট। তড়িঘড়ি তাই জাইডাস ক্যাডিলার ৩টি ডোজের করোনা ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিল কেন্দ্র। ড্রাগ কন্ট্রোলার পক্ষ থেকে বিশেষ কমিটি এই ভ্যাকসিনকে জরুরি ভিত্তিতে ছাড়পত্র দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছিল। সেই অনুরোধে মান্যতা দিয়েই মোদী সরকার এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। ১২ থেকে ১৮ বছরের শিশু-কিশোরদের জন্য এই ভ্যাকসিন বলে জানানো হয়েছে সংস্থার পক্ষ থেকে।

অনুমোদন পেল আরও এক ভ্যাকসিন
করোনার থার্ড ওয়েভ আসার আগে শিশুদের সুরক্ষিত করতে তৎপর মোদী সরকার। তড়িঘড়ি জাইডাস ক্যাডিলা ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিল কেন্দ্র। ড্রাগ রেগুলেটরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েেছ এক্সপার্ট কমিটি জরুরি ভিত্তিতে এই ভ্যাকসিনের ছাড়পত্র দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিল। শিশুদের সুরক্ষার কথা ভেবে মোদী সরকারও দেরি করতে চায়নি। তাই এক্সপার্ট কমিটির অনুরোধ মেনেই তড়িঘড়ি জাইডাল ক্যাডিলা ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। তবে শেষ দুটি পর্যায়ের ক্লিনিকাল ট্রায়ালের রিপোর্ট শীঘ্রই জমা দিেত বলা হয়েছে সংস্থাকে।

তিনটি ডোজের ভ্যাকসিন
এই প্রথম তিনটি ডোজের ভ্যাকসিন বাজারে আসতে চলেছে। এর আগে জনসন ছাড়া গোটা বিশ্বে সব ভ্যাকসিনই দুটি ডোজ করেই তৈরি হয়েছিল। ক্যাডিলা হেলথ কেয়ারের তৈরি এই ভ্যাকসিনই প্রথম তিনটি ডোজের বলে জানা গিয়েছে। জাইকোভ-ডি নামে এই ভ্যাকসিনেলর ক্লিনিকাল ট্রায়াল হয়ে গিয়েছে। গোটা দেশে ২৮০০০ স্বেচ্ছাসেবীর উপর হয়েছে ক্লিনিকাল ট্রায়াল। প্রাপ্ত বয়স্কদের উপরে তো বটেই তা ছাড়া ১২ থেকে ১৮ বছর পর্যন্ত বয়সীদের পক্ষেও কার্যকর এই ভ্যাকসিন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এখনও পর্যন্ত শিশুদের ভ্যাকসিন বাজারে আসেনি। সেদিক থেকে হলে এই জাইডাসই প্রথম শিশুদের ভ্যাকসিন বাজাের আনবে।

কতটা কার্যকর এই ভ্যাকসিন
ক্লিনিকাল ট্রায়ালের রিপোর্ট যা বলছে তাতে যথেষ্ট কার্যকর এই ভ্যাকসিন। ভারতের আবহাওয়াতেই ওই ভ্যাকসিন অনেকদিন পর্যন্ত সঞ্চয় করে রাখা যায়। ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়ায় থেকে ২৫ ডিগ্রি সেসসিয়াল পর্যন্ত তাপমাত্রায় এই ভ্যাকসিন সংরক্ষণকরে রাখা যায়। এই ভ্যাকসিনের আরও একটি বিশেষত্ব হল এটা প্রয়োগ করতে সূচের প্রয়োজন হয় না। স্কিন এবং মাসলের মাঝে এই ভ্যাকসিনটি প্রয়োগ করা হয়। এই প্রথম এই পদ্ধতিতে কোনও ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হবে। শিশুদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই তড়িঘড়ি আরও এই ভ্যাকসিনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

শিশুদের ভ্যাকসিন সেপ্টেম্বরেই
করোনার থার্ড ওয়েভে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ হতে পারে শিশুদের শরীরে। শিশুরাই সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত হবে বলে জানানো হয়েছে। যদিও আইসিএমআরের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শিশুদের মধ্যে েতমন ভয়াবহ হবে না। তবে সেপ্টেম্বর মাসেই শিশুদের ভ্যাক্সিন চলে আসবে বলে জানানো হয়েছে। শিশুদের করোনা ভ্যাক্সিনের ট্রায়াল প্রায় শেষের পথে। এবং সেটা যথেষ্ট আশাজনক বলে জানিয়েছে আইসিএমআর।












Click it and Unblock the Notifications