আফগানিস্তানের পরিস্থিতি সমস্ত রাজনৈতিকদলকে জানানোর নির্দেশ মোদীর, সর্বদলের ডাক জয়শঙ্করের
এই মুহূর্তে গোটা আফগানিস্তান এখন তালিবানদের দখলে। খুব শীঘ্র হয়তো সে দেশে সরকারও গঠন করবে তাঁরা। এই অবস্থায় বহু দেশ ইতিমধ্যে তালিবানদের পাশে দাঁড়িয়েছে। যেমন চিন, পাকিস্তান, রাশিয়া সহ একাধিক দেশ তালিবানদের পাশে দাঁড়িয়েছে।
এই মুহূর্তে গোটা আফগানিস্তান এখন তালিবানদের দখলে। খুব শীঘ্র হয়তো সে দেশে সরকারও গঠন করবে তাঁরা। এই অবস্থায় বহু দেশ ইতিমধ্যে তালিবানদের পাশে দাঁড়িয়েছে। যেমন চিন, পাকিস্তান, রাশিয়া সহ একাধিক দেশ তালিবানদের পাশে দাঁড়িয়েছে।
এমনকি প্রতিবেশী বাংলাদেশও পরোক্ষে তালিবানি সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছে।

যদিও এখনও পর্যন্ত ভারতের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। আফগানিস্তান ইস্যুতে ভারতের অবস্থান কি হবে তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। এই অবস্থায় সর্বদল বৈঠক ডাকল কেন্দ্রীয় সরকার। আগামী ২৬ তারিখ এই বৈঠক ডাকা হয়েছে।
প্রকাশিত খবর মোতাবেক, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করকে এই বৈঠক ডাকার নির্দেশ দেন। শুধু তাই নয়, এই মুহূর্তে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি দেশের সমস্ত রাজনৈতিক দলের কাছে তুলে ধরার নির্দেশ দেন। আর এরপরেই আফগানিস্তান ইস্যুতে সর্বদল বৈঠক ডাকতে উদ্যোগী বিদেশমন্ত্রক।
জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পরেই একি টুইট করেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর। যেখানে দেশের সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা বলা হয়েছে। সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী সমস্ত দলের সঙ্গে এই বিষয়ে যোগাযোগ রাখবেন বলে জানিয়েছেন।
তবে জয়শঙ্করের এই টুইটে কার্যত ক্ষব্ধ রাহুল গান্ধী। তাঁর প্রশ্ন, কেন বিদেশমন্ত্রক? কেন মোদী নিজে জানাবেন না? এ দিন জয়শঙ্করের টুইটের পরই একটি টুইটে রাহুল গান্ধী লিখেছেন, 'মোদীজি নিজে কেন কথা বলতে পারবেন না? নাকি উনি জানেন না আফগানিস্তান কী হচ্ছে না হচ্ছে?
প্রহ্লাদ জোশী জানিয়েছেন, জয়শঙ্কর সমস্ত রাজনৈতিকদলের কাছে এই মুহূর্তে আফগানিস্তানের অবস্থা তুলে ধরবেন। ইতিমধ্যে সমস্ত রাজনৈতিক দলের কাছে আমন্ত্রনপত্র ইমেলের মাধ্যমে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। যেখানে কবে কখন এই বৈঠক হবে সমস্ত কিছু বলা রয়েছে।
উল্লেখ্য আফগানিস্তানের পরিস্থিতির উপর বিশেষ নজর রাখছে ভারত। প্রতি মুহূর্তে আমেরিকার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে সে দেশ থেকে একের পর এক বিমানের ভারতীয়দের উদ্ধার করা হচ্ছে। বলা প্রয়োজন। এর আগে গত ১৭ অগস্ট অর্থাৎ তালিবানের কাবুল দখলের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একটি বৈঠকে বসেছিলেন নরেন্দ্র মোদী।
দেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল, শাহ সহ একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। মূলত কী ভাবে আফগানিস্তান থেকে ভারতীয়দের ফেরানো যায়, সেই বিষয়েই আলোচনা হয় ওই বৈঠকে।
বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বারবারই জানানো হয়েছে যে, ভারতীয়দের ফেরাতে সবরকমের চেষ্টা জারি রেখেছে কেন্দ্র, তবে সবটাই নির্ভর করছে কাবুল বিমানবন্দরের পরিস্থিতির ওপরে। আর এরপরে আফগানিস্তান ইস্যুতে এই বৈঠক যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications