মক ড্রিলের জের, অক্সিজেনের অভাবে ২২ রোগীর মৃত্যু, সিল আগ্রার পরশ হাসপাতাল
অক্সিজেনের অভাবে ২২ জন রোগীর মৃত্যুর পর সিল করে দেওয়া হল আগ্রার পরশ হাসপাতাল। প্রসঙ্গত, অক্সিজেন ছাড়া রোগীরা বাঁচেন কিনা তা দেখার জন্য হাসপাতালের মালিক পাঁচ মিনিটের জন্য অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিও ভাইরাল হয় এবং হাসপাতালের গাফিলতি সামনে আসার পরই এই পদক্ষেপ করা হয়।

ভিডিওতে দেখানো হয়েছে, এক চিকিৎসক যিনি কঠিনভাবে স্বীকার করেছেন যে মক ড্রিলের জন্য তিনি পাঁচ মিনিট অক্সিজেন বন্ধ করায় ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই হাসপাতালে বাকি ৫৫ জন রোগীকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করার পরই হাসপাতাল সিল করে দেওয়া হয়। মহামারি রোগ আইনে হাসপাতালের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এই মৃত্যুর জন্য যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার দাবি জানিয়েছেন। তিনি টুইটে লেখেন, 'বিজেপির শাসনে অক্সিজেন এবং মানবতার তীব্র ঘাটতি রয়েছে। এই জঘন্য অপরাধের জন্য যারা দায়ী তাদের কঠিন শাস্তি দিতে হবে। আমার সমবেদনা রয়েছে মৃতদের পরিবারের প্রতি।’ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও চিকিৎসকের ওই ভিডিও শেয়ার করে সরকারকে প্রশ্ন করেন যে ২২ জন রোগীর মৃত্যুর জন্য কারা দায়ী?
ন্যাশনাল হাইওয়ে ২–তে অবস্থিত পরশ হাসপাতালের কর্ণধার অরিঞ্জয় জৈনের একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। ওই ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে যে, 'অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিয়েছিল। মোদিনগরেও অক্সিজেন ছিল না। আমরা রোগীদের পরিবারকে জানিয়েছিলাম যে তাঁরা যেন রোগী নিয়ে চলে যায় কিন্তু কেউ তা করতে চায়নি। ২৬ এপ্রিল সকাল ৭টার সময় আমরা পাঁচ মিনিটের জন্য অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ রাখি। ২২ জন রোগী শ্বাস নেওয়ার জন্য হাঁপাতে থাকেন এবং তাঁদের দেহ নীলচে হয়ে যায়। আমরা বুঝতে পারলাম যে অক্সিজেন না হলে তাঁরা বাঁচবেন না। এরপর আইসিইউ ওয়ার্ডে থাকা বাকি ৭৪ জন রোগীর পরিবারকে জানাই যে তাঁরা যেন প্রত্যেক রোগীদের জন্য ব্যক্তিগত অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে আসেন।’ ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরই যোগী রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications